• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪
সর্বশেষ :
হাতের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই বিধবা হলো সদ্য বিবাহিত গৃহবধূ তানিয়া খাতুন শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরে বি*ষ প্রয়োগের অ*ভিযো*গ: দিশেহারা মৎস্য চাষী দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা সখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার, সময়মতো মিলছে না খাবার দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত না.গঞ্জে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি চলমান সমাজকল্যাণ সহায়তা কর্মসূচি প্রথম বর্ষ সমাপ্তি ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতছে ইরান, এই খবরে ইউরোপের বাজারে চরম হাহাকার পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক নারায়ণগঞ্জে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

মাছ কাটার শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা: আঁইশে গড়া সম্ভাবনার গল্প

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি / ১৩৪১ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

একসময় যিনি ছিলেন মাছ কাটার সাধারণ শ্রমিক, আজ তিনি এলাকার উদ্যোক্তা। শুধু নিজের নয়, আশপাশের অনেকের জীবনদৃষ্টিও পাল্টে দিয়েছেন তিনি। বলছি বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার দোহাজারী গ্রামের বৃন্দাবন দাসের কথা—যিনি এখন মাছের আঁইশ প্রক্রিয়াজাত করে আয় করছেন উল্লেখযোগ্য অর্থ এবং লিখছেন সম্ভাবনার নতুন অধ্যায়।

 

প্রকল্পভিত্তিক কাজের সুযোগ নিয়ে বৃন্দাবন দাস যুক্ত হয়েছেন পিকেএসএফ, নবলোক পরিষদ, IFAD ও DANIDA-এর যৌথ অংশীদারিত্বে পরিচালিত আরএমটিপি প্রকল্পে। এই প্রকল্পের সহায়তায় তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৩০০ কেজি মাছের আঁইশ সংগ্রহ করছেন এবং খুলনার রূপসা উপজেলার ইলায়পুর বাজারে প্রতি মণ ২,৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

 

 

এতে করে বছরে তাঁর বাড়তি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা, যা দিয়ে ইতোমধ্যে মেয়ের বিয়ের খরচ মিটিয়েছেন এবং এখন ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

 

উদ্যোক্তা বৃন্দাবন বলেন, আগে কেবল মাছ কাটতাম, আয় ছিল অল্প। এখন আঁইশ দিয়ে ব্যবসা করি। এই টাকা দিয়েই মেয়ের বিয়ে দিয়েছি, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পরিকল্পনাও করছি। জীবনে এই পরিবর্তন এনে দিয়েছে আঁইশ আর প্রকল্পের সহায়তা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com