• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৯
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

ফসলের হাসিতেই খুশি কৃষক ধানের চারা উৎপাদনে ব্যস্ত কৃষকেরা

মুরাদ হোসেন, মাগুরা / ২৪৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

রোদ-বৃষ্টি মাথা পেতে নেয় চাষি, মাটি ফেটে জেগে ওঠে ফসলের হাসি। অগ্রহায়ণ বাংলা বছরের নবম মাস। দেশে এখন বোরো ইরি ধানের চারা উৎপাদনের সব থেকে উৎকৃষ্ট মৌসুম। এই ধানের চারা গ্রামাঞ্চলের কৃষকদের কাছে ধানের পাতো বলে পরিচিত। এই চারার বয়স বিশ থেকে একমাস হলে রোপনের আনন্দে মেতে উঠবে কৃষকরা। তাই এখন বোরো ইরি ধানের চারা উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার মহম্মদপুরের কৃষকরা।

 

কেউ এই মাঠে ধানের চারা উৎপাদনের জন্য বীজ তলা তৈরী করছেন, কেউ আবার প্রস্তুতকৃত বীজ তলায় অঙ্কুরিত সোনালি ধানের বীজ জমিতে সিটাচ্ছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০-২৫ দিনের মধ্যে উৎপাদিত চারা বীজ তলা থেকে তুলে ধানের ক্ষেতে রোপণ করার উপযোগী হবে। কৃষক তখন আবাদি জমি ধান রোপণের উপযোগী করে রোপণ করবে।

 

 

বাংলাদেশে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধানের মৌসুম। স্থানীয় পর্যায়ে এই মৌসুমকে চতে ইরির মৌসুমও বলা হয়। এই মৌসুমে কৃষক বোরো-২৯, বোরো-২৮, বোরো-১০২ সহ নতুন নতুন নানান জাতের ধানের আবাদ করে থাকে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ সদরের ঘোপ বাঁওড় ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা বোরো ধানের চারা/পাতো উৎপাদনে ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। অল্প কিছু দিন হল এই বাঁওড় থেকে বর্ষার পানি নেমে গেছে। পানি নেমে যাওয়ার কারণে কৃষকের ফসলি জমি জেগে উঠেছে।

 

 

এই বাঁওড়ের অধিকাংশ জমিতে একটি মাত্র ফসল উৎপাদিত হয়। স্থানীয় কৃষক শুধুমাত্র বোরো ইরি ধানের আবাদ করে থাকে। বর্ষার পানিতে জমি তলিয়ে যাওয়ার কারণে এখানে অন্য কোন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। ফলে স্থানীয় কৃষকদের মাত্র একটি ফসলে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

 

 

কৃষক বাবলু মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান,”আমরা এই বাঁওড়ের জমিতে বছরে একবার ধান লাগাই। একবারের বেশি এই জমিতে ধান লাগানো যায় না। বর্ষার পানিতে বছরে ছয় মাস তলায় থায়ে। সারা বছরের খাবারের জন্যি তাই আঁটে পিটে কাজ করি। আল্লাহ করলি এই বাঁওড়ের ধান খুব ভালো হয়। আমরা তাই একবার ধান লাগায়ে সারা বছর খাই।”


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com