• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬
সর্বশেষ :
হাতের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই বিধবা হলো সদ্য বিবাহিত গৃহবধূ তানিয়া খাতুন শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরে বি*ষ প্রয়োগের অ*ভিযো*গ: দিশেহারা মৎস্য চাষী দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা সখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার, সময়মতো মিলছে না খাবার দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত না.গঞ্জে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি চলমান সমাজকল্যাণ সহায়তা কর্মসূচি প্রথম বর্ষ সমাপ্তি ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতছে ইরান, এই খবরে ইউরোপের বাজারে চরম হাহাকার পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক নারায়ণগঞ্জে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

চিকিৎসা নিতে পারছেন না ওবায়দুল কাদের, বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবারের

অনলাইন ডেস্ক / ২৭৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে থাকা বাংলাদেশ থেকে পলাতক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে কোনো ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে কলকাতার নিজ বাসায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বাসায় চিকিৎসক, লাইফ সাপোর্ট ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলবে।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া ওবায়দুল কাদের গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে কলকাতার ইএম বাইপাসের কাছে অবস্থিত অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, চিকিৎসায় সামান্য সাড়া মিললেও তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটজনক।

 

 

বার্ধক্যজনিত একাধিক রোগে ভুগে দীর্ঘদিন ধরেই শয্যাশায়ী ছিলেন ওবায়দুল কাদের। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, হাসপাতালে ভর্তির আগেও কলকাতার নিউ টাউনের বাসায় তিনি অক্সিজেন সাপোর্টে ছিলেন।

 

 

এর আগে গত জুনে এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি এখনও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সে সময় কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। তিনি দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর তিন মাস আত্মগোপনে থেকে একাধিকবার বাসা বদল করেন এবং পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশ ছাড়েন।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দমননীতির জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ তৈরি হলে তখন ক্ষমা চাওয়া, ভুল স্বীকার বা অনুশোচনার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।

 

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং নোয়াখালী-৫ আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com