• মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৪
সর্বশেষ :
শিমুলবাড়ীয়ায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় দুইজনকে কু*পি*য়ে জ*খ*ম দেবহাটায় Basic Learner Exploration Exam 2026 অনুষ্ঠিত রাতভর পি*টি*য়ে সকালে উপড়ে ফে*লা হলো দুই চোখ না.গঞ্জে সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ না.গঞ্জ সদর মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা জানা গেল প্রতিদিন কয় ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে! সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়স নির্ধারণ পাইকগাছায় হামের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা : সতর্ক থাকার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের জংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার আলমগীরের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ: অসুস্থ কন্যার চিকিৎসায় সহযোগিতার আশ্বাস

জিএম আমিনুল হক / ১৭৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে ২০১৩ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতা ও গায়েবী মামলা দায়ের করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এসব মামলার একটিতে সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দিন-এর নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানান তিনি।

 

আলমগীর হোসেনের দাবি, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে ২০১৫ সালের ২৮ জুন জামিন সংক্রান্ত বিষয়ে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করতে সাতক্ষীরা জজ কোর্টে আসার পথে দেবহাটা থানার কুলিয়া ব্রিজ এলাকায় পুলিশ তাকে আটক করে। তার অভিযোগ, রাতের দিকে নির্জন স্থানে নিয়ে চোখ বেঁধে বাম পায়ে গুলি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা ও সংক্রমণের জটিলতায় শেষ পর্যন্ত তার বাম পা কেটে ফেলতে হয়।

 

পরবর্তীতে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি। বর্তমানে তার পরিবারে আটজন সদস্য রয়েছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে একটি থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র ১০ সিট) গাড়ি কিনে জেলা ও জেলার বাইরে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নেতা-কর্মীদের বহন করেছেন। খুলনায় অনুষ্ঠিত বিএনপির মহাসমাবেশেও তিনি দু’বার অংশ নেন।

 

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিকেলে শপথ: নতুন মন্ত্রিসভায় খুলনার কেউ নেই!

 

বর্তমানে তিনি বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান। গুলির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন বলেও তার দাবি। ওই মামলায় সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার মঞ্জুরুল কবির-এর নাম উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি জানান। এ কারণে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আলমগীর।

 

ব্যক্তিজীবনেও তিনি চরম সংকটে রয়েছেন। তার ১৮ মাস বয়সী কন্যা আয়েশা সিদ্দিকা হৃদরোগ ও রক্তজনিত জটিলতায় ভুগছে। ঢাকা ও খুলনার চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, যার ব্যয় পাঁচ লাখ টাকারও বেশি। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে আলমগীর হোসেন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারেক রহমান তার কন্যার চিকিৎসা ব্যয় বহনসহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে।

 

এক পায়ে ভর করে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার এই কর্মী বলেন, “আমি দল ও নেতার প্রতি আস্থাশীল। আমার সন্তানের চিকিৎসা ও পরিবারের নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চাওয়া।”
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com