• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬
সর্বশেষ :
সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক তালায় মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে পেটাল মাদক কারবারিরা, থানায় জিডি সম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক, দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা শতবর্ষি কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পর্নে বিভিন্ন মন্দিরে ওসির পরিদর্শন সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি পাটকেলঘাটায় শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ দুই বছর পর সাতক্ষীরায় ৩শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা শুরু

ধুলিহর শতবর্ষী আছিয়া বেগমের পাশে সদর প্রশাসন,খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন সংবাদকর্মীরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১২২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটানো শতবর্ষী অসহায় বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রশাসন। মানবিক এই উদ্যোগে বুধবার সকালে তার বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

 

সম্প্রতি ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়া গ্রামের শতবর্ষী আছিয়া বেগমের মানবেতর জীবনযাপনের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি অবগত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। এরপর তার নির্দেশনায় সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুল ইসলাম প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেন।
মাইটিভির ক্যামেরাম্যান একরামুজ্জামান জনি এবং বাংলাভিশনের ক্যামেরাম্যান রাকিবের মাধ্যমে আছিয়া বেগমের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়। সহায়তার মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ১ কেজি চিনি, ভোজ্যতেল, লবণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য।

 

 

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়ার একটি নির্জন এলাকায় বসবাস করেন শতবর্ষী আছিয়া বেগম। প্রায় ২০ বছর আগে তার স্বামী ময়েজউদ্দিন ঢালী মারা যান। দুই ছেলে নিজেদের অভাব-অনটন ও অসুস্থতার কারণে বৃদ্ধ মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেননি। অপরদিকে দুই মেয়েও স্বামীর সংসারে কষ্টে দিনযাপন করছেন।

 

বর্তমানে সরকারের বয়স্ক ভাতার মাত্র ৬০০ টাকাই তার বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল। গত ২০ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একটি ভাঙাচোরা টিনের কুঁড়েঘরে অত্যন্ত মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছেন তিনি। মরিচাধরা টিনের চাল দিয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। জীর্ণশীর্ণ সেই ঘরে ন্যূনতম জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধাও নেই।

 

সদর প্রশাসনের এই মানবিক সহায়তায় খুশি আছিয়া বেগম। তিনি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধার জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের উপযোগী একটি ঘর ও নিয়মিত সহায়তার ব্যবস্থা করা হলে তার জীবনের শেষ সময়টুকু কিছুটা স্বস্তিতে কাটবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com