• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০১
সর্বশেষ :
সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার ‎পাইকগাছায় কাজের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় পাড়ি জমাচ্ছে তালায় ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলার আসর, চ্যাম্পিয়নদের জন্য গরু ও ফ্রিজ পুরস্কার তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে সভা দেবহাটায় ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণা উদ্বোধন ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা, শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ ধানদিয়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ,১৮ পূজামণ্ডপে অনুদান

অবৈধ নেটপাটা উচ্ছেদ ও নদী খালের প্রবাহ ফেরাতে ডুমুরিয়ায় তৎপরতা

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া / ১২০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বিল ও নদী এলাকার স্বাভাবিক পানির প্রবাহ ফিরিয়ে এনে চিংড়ি চাষে গতি ফেরাতে একাধিক ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি জলাশয় থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, ক্ষতিকর নেট-পাটা অপসারণ এবং আধুনিক মৎস্য চাষ পদ্ধতির প্রসারে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর।

 

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়ার বিভিন্ন নদী ও খালে অবৈধ বাঁধ ও নেট-পাটা দেওয়ার কারণে এতদিন পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। এর ফলে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ চিংড়ি চাষিরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছিলেন না। এ পরিস্থিতি নিরসনে সম্প্রতি অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

​এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “ডুমুরিয়া অঞ্চলে মাছ ও চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা প্রচুর। তবে খাল-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া এবং ক্ষতিকর জালের ব্যবহারে পোনা ও মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। আমরা নদী ও খালের অবৈধ বাঁধ, নেট-পাটা উচ্ছেদে কঠোর অবস্থান নিয়েছি এবং বিভিন্ন স্থানে অভয়ারণ্য তৈরির কাজ করছি। একই সাথে চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তিতে মানসম্মত গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা ও চাষিদের সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে ডুমুরিয়ায় চিংড়ির উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে।”

 

​সরকারি জমি ও জলাশয় দখলমুক্ত করার বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন, “নদী ও খাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এগুলো সাধারণ মানুষের যৌথ সম্পদ। অবৈধভাবে বাঁধ বা নেট-পাটা দিয়ে জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ আটকে রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমরা মৎস্য দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সরকারি খাল ও নদীগুলোকে উন্মুক্ত করা হচ্ছে, যাতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকে এবং প্রকৃত চাষিরা উপকৃত হতে পারেন। সরকারি জলাশয় অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

​প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের এই যৌথ উদ্যোগে এলাকায় ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। স্থানীয় চিংড়ি চাষিরা আশা প্রকাশ করছেন, সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডুমুরিয়ায় গলদা ও বাগদা চিংড়ির উৎপাদনে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com