• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭
সর্বশেষ :
ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতক শিশুর দায়িত্ব নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন ‎এস ডব্লিউ নিউজ ২৪ ডটকম এর ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত না.গঞ্জে তৃতীয়বারের মত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেন ডিএসবির হুমায়ুন কবির তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন, হাসপাতালের অনিয়ম তদন্তের দাবি সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার ‎পাইকগাছায় কাজের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় পাড়ি জমাচ্ছে তালায় ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলার আসর, চ্যাম্পিয়নদের জন্য গরু ও ফ্রিজ পুরস্কার তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে সভা দেবহাটায় ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণা উদ্বোধন

পাটকেলঘাটায় শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৭১ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে হাত-পা বেঁধে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টারও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

 

 

ঘটনাটি বুধবার সকাল ৯টার দিকে কাটাখালী গ্রামের একটি বাঁশবাগানের মধ্যে নির্মাণাধীন ঘরে ঘটেছে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাটাখালী গ্রামের সোরাপ মোড়লের ৮ বছর বয়সী ছেলে আফফান ওরফে আকাশ প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাচ্ছিল। পথে একই গ্রামের কাশেম মোড়লের ছেলে আব্দুল মুছানুর তাকে জোর করে বাঁশবাগানের মধ্যে একটি নির্মাণাধীন ঘরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেখানে শিশুটির হাত-পা বেঁধে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত যুবক ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে শিশুটির মা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

 

 

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান অভিযুক্ত যুবককে মারধর করেন এবং পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অর্থের বিনিময়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

 

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরে আমি ওই যুবককে মারধর করেছি। পরে সে ক্ষমা চেয়েছে।”

 

শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেছি। সময়মতো জানতে না পারলে আরও বড় কোনো ঘটনা ঘটতে পারত।”

 

এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com