• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১২
সর্বশেষ :
দেবহাটা থানার ওসি আব্দুল আলিমকে বদলিজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা পাইকগাছা-কয়রার মানুষের সেবা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্যে এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তালা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন পিকেএসএফ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডা. মো. জহিরুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার নতুন সিভিল সার্জন ৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের

সাতক্ষীরায় মাদক মা’ম’লায় এক নারীর যাবজ্জীবন কা’রা’দ’ণ্ড

জিএম আমিনুল হক / ২০৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

সাতক্ষীরায় মাদক মামলায় খাদিজা বেগম নামের এক নারীকে মাদক মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত ১৫ অক্টোবর বুধবার বিকেলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আসামি পলাতক ছিলেন বলে বেঞ্চ সহকারী কবিরন হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

 

সাজাপ্রাপ্ত খাদিজা বেগম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার মৃত করিম সরদার মেয়ে।

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, সেশন – ৪৭/০২ মামলায় ২০০১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সাতক্ষীরা খুলনা মহাসড়কের নারকেলতলা ব্রিজের উপর আসামি খাদিজা বেগম রিকশা যোগে খুলনা গামী বাসে ওঠার প্রাক্কালে রিকশা প্রতিরোধপূর্বক ঘেরাও কোরিয়া উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় আসামীর জিজ্ঞাসাবাদ করিলে আসামী তার শরীর থেকে লুকায়িত ১১০ বোতল (১১ লিটার)ফেনসিডিল বের করে দেয়।

 

এ ঘটনায় একই দিনে সাতক্ষীরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের১৯৯০এর ১৯(১)৩(খ) ধারায় মামলা দায়ের করে।এই মামলার বাদী ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক কাজী হাবিবুর রহমান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন। আসামি জামিন নিয়ে পলাতক ছিলেন।

 

দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই দণ্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোস্তফা জামান ও শিহাব মাসউদ সাচ্চু।

 

রাষ্ট্রপক্ষ৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪ জন সাক্ষীর স্বাক্ষর প্রদান করেন। অত্র মামলা তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগ পত্র দাখিল করেন ২০০২ সালের ৩ মার্চ । আদালত অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ২০ নভেম্বর ২০০৩ তারিখে। আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন বলে জানাযায়।

 

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আসামীর সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পিপি এড. মোস্তফা জামান।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com