• মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭
সর্বশেষ :
স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা পরিবর্তনের পরই ভোট অনুষ্ঠিত হবে না.গঞ্জ সদরে চাষীদের মাঝে মৎস্য ও সবজি চাষের উপকরণ বিতরণ জনগণের শান্তি নষ্ট করবে এমন কাজ করতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ চার বিভাগে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস, সতর্কতা দিল অধিদপ্তর দেবহাটার পাঁচ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা, নির্বাচনী আমেজে সরগরম জনপদ বিয়ের ফাঁদে সংঘবদ্ধ প্রতারণা! সাগরদাড়িতে চক্রের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ খুলনা প্রেসক্লাবে হা*ম*লা*কারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের গোয়ালডাঙ্গা বাজারে বেড়িবাঁধে আবারো ভাঙ্গন: উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিদর্শন খুলনায় জা*লি*য়াতির মাধ্যমে চাকরি নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ: ৬ বছরের কা*রা*দ*ণ্ড প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোর আগমন উপলক্ষে তালায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

আমন ধানের বাম্পার ফলনে ডুমুরিয়ার কৃষকের মুখে হাসি

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ১২৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

“কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ”—এই কথাটিই যেন আবার সত্য প্রমাণ করলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পরিশ্রমী কৃষকরা। চলতি মৌসুমে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে লেগেছে হাসি।

 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সবুজে মোড়া মাঠের পর মাঠ যেখানে চোখ রাখি সেখানেই ধানগাছের ঢেউ। কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি আর মনে আশার আলো। খর্নিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, “বর্ষা মৌসুমে ধান চাষে সেচ কম লাগে, তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ কিছুটা বেশি হয়। কীটনাশক ও সারের দাম বেড়েছে, তবু ফলন ভালো হওয়ায় এবার ধান চাষে লাভবান হব বলে আশা করছি।”

 

শোভনা ইউনিয়নের কৃষক মো. আবুল কালাম বলেন, “আমি ব্রি ধান ৭৫ জাতের ধান লাগিয়েছি। বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ধান পাব বলে আশা করছি।” রুদাঘরা ইউনিয়নের কৃষক কায়সার আলী জানান, “আমি এবার নতুন ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেছি। সব ঠিক থাকলে বিঘাপ্রতি ২৮ থেকে ৩২ মণ পর্যন্ত ফলন হবে বলে আশা করছি। তবে সার ও শ্রমিকের দাম অনেক বেড়েছে। এখন ধান কাটতে একজন শ্রমিককে ৭০০-৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তবুও শ্রমিক পাওয়া কঠিন।”
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমি ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধান চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। এক বিঘা জমিতে ২৮-৩০ মণ ধান উৎপাদন হবে বলে ধারণা করছি।”

 

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান,“চলতি মৌসুমে উপজেলায় 14 হাজার ৯৩৯ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান ৪৯, ৭৫, ৮৭, বিনা ধান ১৭ এবং নতুন ব্রি ধান ১০৩ সহ বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।”

 

খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ বছর অনুকূল আবহাওয়া ও কীটপতঙ্গের তেমন কোনো আক্রমণ না থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়েছে এবং ফলনও বেড়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। আবহাওয়া ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে তারা প্রত্যাশিত লাভবান হবেন।”


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com