• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯
সর্বশেষ :
বিএনপির সংরক্ষিত আসনে মনোনীত হলেন কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরির ঘটনায় আটক ৩ ; সিসিটিভির সরঞ্জাম উদ্ধার শ্যামনগরে জমির দলিল ও ব্যাংকের চেক ফেরৎ পেতে সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন শ্যামনগরে পাম্প মালিককে হ*ত্যার হু*ম*কি, তেলবাহী গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার আ*শ*ঙ্কা সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দয়াল বাহিনীর সদস্য আ*ট*ক, উদ্ধার ২ জেলে তালায় প্রীতি ঢালী খেলায় দর্শকদের ঢল দেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণ এ্যাডামস প্রকল্প কার্যক্রমের আলোচনা সভা ও আর্সেনিক বিমুক্তকরণ ফিল্টারের উদ্বোধন ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ধুলিহর বড়দল স্কুলের পানির ট্যাংকি ও মোটর নিয়ে গেলেন সহকারী শিক্ষক রঞ্জু

নিজস্ব প্রতিনিধি / ২৮৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকার ৩৩নং বড়দল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের পানির ট্যাংকি ও মোটর নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নুরুজ্জামান রঞ্জু গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শামিমা আক্তার ও দপ্তরি খাইরুল আলম তিব্বতের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের পানির ট্যাংকি ও মোটর খুলে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, গোবিন্দপুর গ্রামের ভ্যানচালক মনিরুলের ভ্যানে করে ট্যাংকি এবং অভিযুক্ত শিক্ষক তার নিজের মোটরসাইকেলে করে পানির মোটরটি তার বাড়িতে নেওয়া হয়।

 

প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ হাসান বাবলু ও আবদুল্লাহ জানান, রোজার সময় বিদ্যালয় ছুটি থাকায় বিষয়টি তাদের সন্দেহজনক মনে হয়। তারা ভ্যানচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ট্যাংকি ও মোটর সহকারী শিক্ষক নুরুজ্জামান রঞ্জুর বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ নুরুজ্জামান রঞ্জুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, আমি মোবাইল ফোনে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। যা বলার সামনাসামনি বলব। প্রয়োজন হলে আপনারা আমার বাসায় আসতে পারেন।

 

পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শামিমা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও একই ধরনের মন্তব্য করেন।

 

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মোঃ মফিজুল ইসলাম জানান, তিনি প্রশিক্ষণে বাইরে অবস্থান করছেন। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেন। তিনি আরও জানান, প্রধান শিক্ষক তাকে অবহিত করেছেন যে, পানির ট্যাংকি ও মোটর নষ্ট হয়ে যাওয়ায় রেজুলেশনের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

 

এব্যাপারে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা উদঘাটন করার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com