• বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৪:০৭
সর্বশেষ :
দেবহাটায় মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ: উন্নয়ন, পর্যটন ও সীমান্ত সুরক্ষায় গুরুত্বারোপ ব্র্যাক ডেইরি উদ্যাগে সাতক্ষীরায় আদর্শ দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পাইকগাছায় তিন দিন ব্যাপী ভূমিমেলা শুরু শ্যামনগরে মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালবৈশাখী ঝড়ে ল*ণ্ড*ভ*ণ্ড দেবহাটা দেবহাটায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠ নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সরকারি কাজে চাঁ*দা*বাজির অভিযোগ জামাত নেতার বি*রুদ্ধে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চায় পানি উন্নয়ন বোর্ড দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে গ্রাম আদালতের অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বনবিভাগের গু*লিতে জেলে নি*হ*ত, লা*শ নিয়ে রেঞ্জ অফিসে ব্যাপক ভা*ঙ*চুর

ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ৮৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারো মাইল বাজারে সেঞ্চুরী ফিলিং স্টেশনে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন মো. মহিদুজ্জামান (৩৪) নামে এক ব্যক্তি।

 

গত বুধবার মধ্যরাতে মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

​শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান এই লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন। ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইসলামী সংগীত শিল্পী ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং বর্তমানে ওই ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আইটি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিদুজ্জামান জানান, গত ২ এপ্রিল (বুধবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে তিনি আঠারো মাইল বাজারের সেঞ্চুরী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল নিতে যান। সেখানে প্রায় দেড় শতাধিক মোটরসাইকেল লাইনে থাকলেও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শেখ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে বাইকে তেল না দিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বড় বড় পটে বা ড্রামে তেল বিক্রি করা হচ্ছিল।

 

সাধারণ বাইকারদের ভোগান্তি দেখে মহিদুজ্জামান এর প্রতিবাদ করেন এবং ঘটনার একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ধারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ আশরাফুল ইসলাম তাকে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে “তুই জামাত করিস, ভিডিও করার সাহস কোথায় পেলি?” বলে তাকে শত শত মানুষের সামনে কান ও মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর তাকে ৪/৫ মিনিট ধরে মারপিট ও লাঞ্ছিত করা হয়। হামলাকারী বিএনপি নেতা জোরপূর্বক মহিদুজ্জামানের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফেসবুক থেকে ওই ভিডিওটি ডিলিট করে দেন এবং ফোনটি আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিদুজ্জামান আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম এলাকায় মাদক, জুয়া এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। ইতিপূর্বে তিনি জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং চুরির দায়েও গণপিটুনির শিকার হয়েছিলেন। একজন মাদকাসক্ত ও চোর প্রকৃতির লোক কীভাবে রাজনৈতিক দলের পদে থাকেন, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত শেখ আশরাফুল ইসলামকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দলের ঊর্ধ্বতন নেতা ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com