• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩
সর্বশেষ :
দেবহাটার সখিপুরে শিশু যৌন পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সমন্বয় সভা না.গঞ্জ সদরে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ শ্যামনগরে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুতে উত্তাল এলাকা কুশপুত্তলিকা দাহ শ্যামনগরে পাওনা টাকার দাবীতে আপন ভাইয়ের নামে মামলা শ্যামনগরে আসামি কর্তৃক মামলার বাদী শিক্ষিকাকে জীবন নাশের হুমকি, নিরাপত্তা হীনতায় পরিবার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও অর্ধ সমাপ্ত প্রায় ৭ কোটি টাকার পৌর ভবন নির্মাণ প্রকল্প সাতক্ষীরার সেই আলোচিত এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার পুরান ঢাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউশনের ৮১ ব্যাচের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

দেবহাটায় পাউবোর জমি দখল, উচ্ছেদে বিলম্ব

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা সাতক্ষীরা / ১৮৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
Oplus_131072

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর এলাকায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমি দখল করে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ এবং ইছামতী নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, বসন্তপুর স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেট খালাসির জন্য নির্মিত একটি সরকারি ভবন ও সংলগ্ন জমি দখল করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দেবহাটা গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে, সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরমান হোসেন সেখানে অবস্থান নিয়ে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। নির্জন নদীতীরবর্তী এলাকায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডও পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রথমে পলিথিন দিয়ে ঘিরে রাখা হলেও পরে সেখানে স্থায়ী পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলেও দীর্ঘদিন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

 

ধারাবাহিক অভিযোগের পর কয়েক দিন আগে কালীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) ও সাতক্ষীরা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে এখনো পর্যন্ত দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্টরা মৌখিকভাবে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে ইছামতী নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে মাছ চাষের সুবিধার্থে বাঁধ কেটে পানি চলাচলের সংযোগ তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এতে বেড়িবাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ছে, নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং বাঁধের ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ সড়কও হুমকির মুখে পড়তে পারে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

 

এ বিষয়ে আরমান হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী দ্রুত সরকারি জমি দখলমুক্ত করা, বেড়িবাঁধ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com