• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১
সর্বশেষ :
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মনির, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন ফতুল্লায় মায়ামনি সেবা সংস্থার উদ্যোগে বার্ষিক মিলাদ ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিক ও কবি কাজী আনিসুল হক হীরার জন্মদিন উদযাপন দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ সাতক্ষীরায় রইচপুর ব্রিজের দুপাশে বেহাল দশা জনদুর্ভোগ কমাতে জামায়াত যুব বিভাগের স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কার শ্যামনগরে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫২তম জন্মাষ্টমী উদযাপন ৪ সেপ্টেম্বর কবি ও সাংবাদিক কাজী আনিসুল হকের জন্মদিন শ্যামনগরে হাঁটু পানিতে ডুবে আছে গ্রাম, ঘরবাড়ি থেকে বিদ্যালয় এমনকি কবরস্থানও পানির নিচে বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ না.গঞ্জ সদরে সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা

খুলনা জেলা পরিষদে যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লা ঞ্ছি তের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৪৬১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লাঞ্ছিত

খুলনা জেলা পরিষদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ এবং খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ভূক্তভোগী সাংবাদিক রাশেদ নিজাম। তবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। যার বড় অংশের সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান জড়িত আছে মর্মে জানতে পারি। আমি ক্যামেরাম্যানসহ আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদে তার কক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে যাই।
এসময় তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাকে এবং আমার ক্যামেরাম্যানকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি এবং আমার টিমের লোকজন সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, লাঞ্ছিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান,এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। নেগেটিভলি আমাদের বিরুদ্ধে আসছে ওরা। তাই তারা একটা মিথ্যা কথা বলে পজিশন ক্রিয়েট করছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com