• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩
সর্বশেষ :
মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ওসি শাহিদুর রহমানের এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৈনিক সাতক্ষীরা খবর পত্রিকার শুভ উদ্বোধন দেবহাটায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন ২ এর শুভ উদ্বোধন পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন: ইসি’র নতুন রোডম্যাপ ও মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রে*ফ*তারি পরোয়ানা প্রথম আলোর সেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত হ‌লেন ইমতিয়াজ, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন তালায় ডেইরি ব্যবসায়ীকে ধারালো অ*স্ত্র দিয়ে কু*পিয়ে জ*খম, ২৭ হাজার টাকা ছি*নতা*ইয়ের অভিযোগ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে স্ট্রেপ্টোকাইনেজ ইনজেকশন প্রদান কর্মী থেকে উদ্যোক্তা: আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহের সফলতার গল্প

খুলনা জেলা পরিষদে যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লা ঞ্ছি তের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৫৩৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লাঞ্ছিত

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন
খুলনা জেলা পরিষদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ এবং খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ভূক্তভোগী সাংবাদিক রাশেদ নিজাম। তবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। যার বড় অংশের সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান জড়িত আছে মর্মে জানতে পারি। আমি ক্যামেরাম্যানসহ আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদে তার কক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে যাই।
এসময় তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাকে এবং আমার ক্যামেরাম্যানকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি এবং আমার টিমের লোকজন সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, লাঞ্ছিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান,এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। নেগেটিভলি আমাদের বিরুদ্ধে আসছে ওরা। তাই তারা একটা মিথ্যা কথা বলে পজিশন ক্রিয়েট করছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com