• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬
সর্বশেষ :
দেবহাটায় জাতীয় সমবায় দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাটকেলঘাটায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেবহাটায় ফেয়ার মিশনের মাদকবিরোধী সাইকেল র‍্যালি, অংশ নিলেন ৬’শ সদস্য ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজনে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি না.গঞ্জের ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজে জাজীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সুন্দরবনে ঘুরতে যেয়ে মিজানুরের ট্রলার থেকে এক পর্যটক নিখোঁজ সুন্দরবনের কু*খ্যা*ত বনদ*স্যু জোনাব বাহিনীর প্রধান জোনাব গ্রে*প্তার আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাতক্ষীরায় মানবতার দৃষ্টান্ত ডা. বলরাম বিশ্বাস, ১০ হাজার প্রতিবন্ধীকে দিয়েছেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা

খুলনা জেলা পরিষদে যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লা ঞ্ছি তের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৫৪০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লাঞ্ছিত

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন
খুলনা জেলা পরিষদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ এবং খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ভূক্তভোগী সাংবাদিক রাশেদ নিজাম। তবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। যার বড় অংশের সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান জড়িত আছে মর্মে জানতে পারি। আমি ক্যামেরাম্যানসহ আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদে তার কক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে যাই।
এসময় তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাকে এবং আমার ক্যামেরাম্যানকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি এবং আমার টিমের লোকজন সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, লাঞ্ছিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান,এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। নেগেটিভলি আমাদের বিরুদ্ধে আসছে ওরা। তাই তারা একটা মিথ্যা কথা বলে পজিশন ক্রিয়েট করছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com