• শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৮
সর্বশেষ :
আশাশুনিতে ৩৫ বছরের ভোগদখলীয় জমিতে জবর দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর কুয়েতের রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারে আ*ঘা*ত হানলো ইরানি ড্রোন, ভ*য়া*ব*হ আগুন আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ১ তালায় শিক্ষকের মারধরে র*ক্তা*ক্ত ২য় শ্রেণির ছাত্রী তুজুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল: এলাকায় তোলপাড় শিমুলবাড়িয়ায় জমি দখল ও ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করে গড়ে তোলা হবে: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি উন্নয়নের মানচিত্রে যেন এক ‘বিচ্ছিন্ন দ্বীপ’ পাইকগাছার ঢ্যামসাখালী সড়ক এখন জনদুর্ভোগের প্রতীক দেবহাটায় সুশীলন ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের যৌথ আয়োজনে কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপন

খুলনা জেলা পরিষদে যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লা ঞ্ছি তের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ২৯১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজাম লাঞ্ছিত

খুলনা জেলা পরিষদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ এবং খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ভূক্তভোগী সাংবাদিক রাশেদ নিজাম। তবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। যার বড় অংশের সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান জড়িত আছে মর্মে জানতে পারি। আমি ক্যামেরাম্যানসহ আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদে তার কক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে যাই।
এসময় তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাকে এবং আমার ক্যামেরাম্যানকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি এবং আমার টিমের লোকজন সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, লাঞ্ছিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান,এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। নেগেটিভলি আমাদের বিরুদ্ধে আসছে ওরা। তাই তারা একটা মিথ্যা কথা বলে পজিশন ক্রিয়েট করছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com