• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:৪১
সর্বশেষ :
গোপালগঞ্জে বজ্রপাতে সাতক্ষীরার কৃষকের মৃ*ত্যু ব্রহ্মরাজপুর সাহাপাড়ায় অ_সামাজিক কার্যকলাপে অ*তিষ্ঠ এলাকাবাসী পুলিশের ১৬ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর দেবহাটার পল্লীতে অ*গ্নি*কা*ণ্ড: ক্ষ*তিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের অবস্থান কর্মসূচি বিল ডাকাতিয়ায় জলাবদ্ধতা: ফসলের নিচের পানি যেন কৃষকের বুক ফাটা আর্তনাদ শ্যামনগরে কলেজছাত্রের রহ*স্য*জনক মৃ*ত্যু শ্যামনগরে অ*বৈধ বালু উত্তোলন: ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা আল্লাহই আমাকে ভেতর থেকে বদলে দিয়েছেন দেবহাটায় শ্রমিকদলের আয়োজনে মে দিবসের আলোচনা ও শ্রমিক সমাবেশ

জরুরি অবস্থা জারি হাইতিতে

প্রতিনিধি: / ২৯১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : রাজধানী ও এর আশেপাশে ৭২ ঘণ্টা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে হাইতি সরকার। সান্ধ্যকালীন কারফিউও জারি করা হয়েছে। সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম-বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। হাইতি সরকার জানিয়েছে, সশস্ত্র গ্যাংগুলোর সহিংসতা বৃদ্ধি ও দেশটির বৃহৎ দুই কারাগার থেকে হাজারো বন্দির পালিয়ে যাওয়ায়, নিরাপত্তাহীনতার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয়ে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে কারফিউ। আর আগামী বুধবার পর্যন্ত জরুরি অবস্থা চলবে। হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স শহরের একটা বড় অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে সশস্ত্র গ্যাংগুলো। বৃহস্পতিবার থেকে সেখানে নতুন করে সহিংসতা শুরু হয়। শনিবার রাতে শহরের প্রধান কারাগারে হামলা চালায় গ্যাং সদস্যরা। এতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়। কারাগার থেকে পালিয়ে যায় হাজারো বন্দি। সশস্ত্র দলটি হাইতির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরিকে উৎখাত করতে চায়। ২০২১ সালে হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসি হত্যার শিকার হওয়ার পর থেকে হেনরি ক্ষমতায় আছেন। বৃহস্পতিবার যখন কারাগারে হামলা চলছিল, তখন হাইতিতে কেনিয়ার নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করতে নাইরোবি সফরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময় সাহায্যের জন্য হাইতির সেনাবাহিনীর প্রতি আহŸান জানায় পুলিশ। কিন্তু শনিবার গভীর রাতে গ্যাং সদস্যরা আবারও হামলা চালায়। ন্যাশনাল পেনিটেনশিয়ারি নামের কারাগারটিতে তিন হাজার ৮০০ জন বন্দী ছিলেন। এর মধ্যে প্রায় ১০০ জন এখনও কারাগারের ভেতরে অবস্থান করছেন। এদিকে, ক্রোইক্স ডেস বুকেটস নামের আরও একটি কারাগারেও হামলা হয়েছে। সেখানে এক হাজার ৪৫০ জন বন্দী ছিলেন। তবে সেখান থেকে কতজন পালিয়েছেন তা জানা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী হেনরিকে উৎখাতের প্রচেষ্টায় স¤প্রতি হাইতিতে সহিংসতা ব্যাপকহারে বেড়েছে। জিমি চেরিজিয়ের নেতৃত্বাধীন গ্যাং আরও কয়েকটি গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে হেনরিকে হটাতে চাইছে। প্রেসিডেন্ট মইসি হত্যার পর থেকে হাইতিতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানকার প্রেসিডেন্ট পদটি এখনও ফাঁকা। ২০১৬ সাল থেকে হাইতিতে কোনও নির্বাচন হয়নি। রাজনৈতিক চুক্তির অধীনে চলতি বছর ৭ ফেব্রæয়ারির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে, নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতেও হাইতিতে গ্যাং সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন অন্তত ৮ হাজার ৪০০ মানুষ, যা ২০২২ সালের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com