• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩
সর্বশেষ :
শতবর্ষী আছিয়া বেগমের বয়স্ক ভাতার ছয়শত টাকায় অনাহারে-অর্ধাহারে চলছে জীবনের চাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম আলাউদ্দীনের ৩১তম শাহাদাত দিবস উপলক্ষে বিডিএফ প্রেসক্লাবে স্বরনসভা ও মোনাজাত পাইকগাছায় বিএফআরআই লোনাপানি কেন্দ্রের বার্ষিক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে নকল দুধ তৈরি করার মেডিসিনসহ ট্রাক জব্দ শ্যামনগরে ব*জ্রপাতে জেলের মৃ*ত্যু শ্যামনগরে ম*রা কাঁকড়ার দুর্গন্ধে অ*তিষ্ঠ এলাকাবাসী, জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা কূপে পড়া ছাগল তুলতে গিয়ে একে একে চার জনের মৃ*ত্যু সাংবাদিকতায় আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ পাওয়ায় আসাদুজ্জামান ও তানজিরকে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবীবকে বিডিএফ প্রেস ক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা দেবহাটায় চক মোহাম্মাদালীপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হিজরি নববর্ষ ১৪৪৮ বরণ

টানা বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বেড়েছে পাইকগাছার ছাতা কারিগরদের

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি  / ৩২৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
টানা বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বেড়েছে পাইকগাছার ছাতা কারিগরদের

বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বাড়ছে ছাতার কারিগরদের। ঋতুর এই দেশ বাংলাদেশ। বর্ষার দুই মাস হলো আষাঢ় আর শ্রাবণ মাস। এ বছর আষাঢ় মাস থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। একটানা বৃষ্টি মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই বর্ষাকালে ছাতার ব্যবহার অন্য সময়ের তুলনায় বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়ে যায় ছাতা কারিগরদের।

সারাবছর তেমন একটা কাজ থাকে না ছাতা কারিগরদের। তবে বর্ষা যেন তাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। কারণ, বর্ষা এলেই কদর বাড়ে তাদের। আর গেলো কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে পাইকগাছায় ছাতা কারিগররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বৃষ্টির কারণে পাইকগাছা উপজেলার পৌরবাজার, নতুন বাজার,আগড়ঘাটা, কপিলমুনি,বাকা বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে নষ্ট ছাতা মেরামত করাতে লোকজনের ভিড় করছে। কারিগরদের ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন।

পৌরবাজার পোস্ট অফিসের সামনে ফুটপাতে ছাতা মেরামতে ব্যস্ত ছিলেন কামাল শেখ। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি এ কাজের সঙ্গে যুক্ত। কামাল শেখ বলেন, বৃস্টি হলে কাজও বেশী হয়। বৃষ্টির দিনে ছাতা মেরামতের কাজ একটু বেশি হয়।এসময় তিন থেকে পাচ শত টাকা রোজগার হয়।টানা বৃস্টির দিন ১৫শত টাকার কাজ করেছি। তবে অন্য সময় তেমন একটা কাজ থাকে না।

উপজেলার মটবাটি গ্রামের গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, আমার এক মেয়ে এক ছেলে। ছেলে-মেয়েরা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। এখন বৃষ্টির সময়। তাই প্রাইভেট পড়তে গেলে বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। ছেলেমেয়েদের জন্য ঘরে থাকা দুইটা নষ্ট ছাতা মেরামত করতে এসেছি। ছাতা মেরামতের সামগ্রীর দাম বেড়েছে আর মুজুরিও বেশি টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ জনসাধারণের।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com