• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১
সর্বশেষ :
অতিবৃষ্টিতে ডুমুরিয়াসহ খুলনা জেলায় মাছ চাষ ও কৃষিতে প্রায় ১১ কোটি টাকার ক্ষতি শ্যামনগরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে জাহাজঘাটা ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের জমি রক্ষায় মানববন্ধন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হ*ত্যাকারী আটক দেবহাটায় প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই শহীদ দিবস পালন, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় দ্রুত ডাক সার্ভিসের নামে পোস্ট অফিসের প্রতারণা, ১৪ দিনেও পৌঁছায়নি জরুরি নথি বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় উঠান থেকে উদ্যোক্তা বিষয়ক পথনাটক অনুষ্ঠিত চিংড়িতে জেলি পুশ: ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা, ৮২০ কেজি চিংড়ি বিনষ্ট খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গু*লি: সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের উদ্বেগ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জলবায়ু পরিবর্তন ও বজ্রপাত মোকাবেলায় দেবহাটায় তাল-খেজুরের বনায়ন শুরু

টানা বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বেড়েছে পাইকগাছার ছাতা কারিগরদের

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি  / ৩৪৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
টানা বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বেড়েছে পাইকগাছার ছাতা কারিগরদের

বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বাড়ছে ছাতার কারিগরদের। ঋতুর এই দেশ বাংলাদেশ। বর্ষার দুই মাস হলো আষাঢ় আর শ্রাবণ মাস। এ বছর আষাঢ় মাস থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। একটানা বৃষ্টি মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই বর্ষাকালে ছাতার ব্যবহার অন্য সময়ের তুলনায় বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়ে যায় ছাতা কারিগরদের।

সারাবছর তেমন একটা কাজ থাকে না ছাতা কারিগরদের। তবে বর্ষা যেন তাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। কারণ, বর্ষা এলেই কদর বাড়ে তাদের। আর গেলো কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে পাইকগাছায় ছাতা কারিগররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বৃষ্টির কারণে পাইকগাছা উপজেলার পৌরবাজার, নতুন বাজার,আগড়ঘাটা, কপিলমুনি,বাকা বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে নষ্ট ছাতা মেরামত করাতে লোকজনের ভিড় করছে। কারিগরদের ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন।

পৌরবাজার পোস্ট অফিসের সামনে ফুটপাতে ছাতা মেরামতে ব্যস্ত ছিলেন কামাল শেখ। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি এ কাজের সঙ্গে যুক্ত। কামাল শেখ বলেন, বৃস্টি হলে কাজও বেশী হয়। বৃষ্টির দিনে ছাতা মেরামতের কাজ একটু বেশি হয়।এসময় তিন থেকে পাচ শত টাকা রোজগার হয়।টানা বৃস্টির দিন ১৫শত টাকার কাজ করেছি। তবে অন্য সময় তেমন একটা কাজ থাকে না।

উপজেলার মটবাটি গ্রামের গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, আমার এক মেয়ে এক ছেলে। ছেলে-মেয়েরা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। এখন বৃষ্টির সময়। তাই প্রাইভেট পড়তে গেলে বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। ছেলেমেয়েদের জন্য ঘরে থাকা দুইটা নষ্ট ছাতা মেরামত করতে এসেছি। ছাতা মেরামতের সামগ্রীর দাম বেড়েছে আর মুজুরিও বেশি টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ জনসাধারণের।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com