• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২২
সর্বশেষ :
সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্যামনগর থানার ওসি শাফিউল পাঠোয়ারী সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ১ জন আটক, থানায় মামলা দেবহাটায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ ডুমুরিয়ার আদর্শ গ্রামে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্মকর্তাদের স্থান পরিদর্শন

টানা বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বেড়েছে পাইকগাছার ছাতা কারিগরদের

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি  / ৩৮১ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
টানা বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বেড়েছে পাইকগাছার ছাতা কারিগরদের

বৃষ্টিতে ব্যস্ততা বাড়ছে ছাতার কারিগরদের। ঋতুর এই দেশ বাংলাদেশ। বর্ষার দুই মাস হলো আষাঢ় আর শ্রাবণ মাস। এ বছর আষাঢ় মাস থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। একটানা বৃষ্টি মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই বর্ষাকালে ছাতার ব্যবহার অন্য সময়ের তুলনায় বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়ে যায় ছাতা কারিগরদের।

সারাবছর তেমন একটা কাজ থাকে না ছাতা কারিগরদের। তবে বর্ষা যেন তাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। কারণ, বর্ষা এলেই কদর বাড়ে তাদের। আর গেলো কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে পাইকগাছায় ছাতা কারিগররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বৃষ্টির কারণে পাইকগাছা উপজেলার পৌরবাজার, নতুন বাজার,আগড়ঘাটা, কপিলমুনি,বাকা বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে নষ্ট ছাতা মেরামত করাতে লোকজনের ভিড় করছে। কারিগরদের ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন।

পৌরবাজার পোস্ট অফিসের সামনে ফুটপাতে ছাতা মেরামতে ব্যস্ত ছিলেন কামাল শেখ। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি এ কাজের সঙ্গে যুক্ত। কামাল শেখ বলেন, বৃস্টি হলে কাজও বেশী হয়। বৃষ্টির দিনে ছাতা মেরামতের কাজ একটু বেশি হয়।এসময় তিন থেকে পাচ শত টাকা রোজগার হয়।টানা বৃস্টির দিন ১৫শত টাকার কাজ করেছি। তবে অন্য সময় তেমন একটা কাজ থাকে না।

উপজেলার মটবাটি গ্রামের গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, আমার এক মেয়ে এক ছেলে। ছেলে-মেয়েরা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। এখন বৃষ্টির সময়। তাই প্রাইভেট পড়তে গেলে বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। ছেলেমেয়েদের জন্য ঘরে থাকা দুইটা নষ্ট ছাতা মেরামত করতে এসেছি। ছাতা মেরামতের সামগ্রীর দাম বেড়েছে আর মুজুরিও বেশি টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ জনসাধারণের।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com