• বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১
সর্বশেষ :
তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ইনসেপশন মিটিং অনুষ্ঠিত সমবায়ভিত্তিক মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ ডা*কাতের আত্মসমর্পণ, বিপুল অ*স্ত্র-গোলাবারুদ জমা দাম্পত্য কলহে প্রকাশ পেল হ*ত্যার রহস্য, খুলনায় উঠান খুঁড়ে উদ্ধার ইজিবাইক চালকের কঙ্কাল ডুমুরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জরুরি আলোচনা সভা ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ এনজিও কর্মী সেজে পুলিশের অভিযানে শ্যামনগরে মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ১০ পিস ইয়াবা আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে চার জোয়াড়ী গ্রেফতার দেবহাটায় ৬ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, জরিমানা শেষে আগুনে বিনষ্ট

পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষককে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করে স্বর্ণালংকর ও নগদ অর্থ লুট

প্রতিনিধি: / ৫৬৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় শিশুসহ একই পরিবারের দুই সদস্যকে চেতনা নাশক ঔষধ
মেশানো খাবার খাইয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার রাতে উপজেলার গোপালপুর গ্রামের শিক্ষক আমিনুর রহমান লিটু (৪০)
বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটেছে। সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) ও থানার
অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অচেতন শিক্ষক ও তার আড়াই বছরের
শিশুকে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শিক্ষক লিটুর
ছোট ভাই মাসুদ রানা জানান, সোমবার রাতে আমার বড় ভাই আমিনুর রহমান
লিটুসহ তার পরিবারের সকলে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমার ভাইপো অসুস্থ
থাকায় আমার মা দ্বিতীয় তলায় বড় ভাইয়ের পাশের ঘরে ঘুমায়। বড় ভাইয়ের ছেলে
অসুস্থ থাকায় বড় ভাবি রাতের খাবার খায়নি। আমার বড়ভাই ও তার আড়াই বছরের
ছেলে সাদ খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ওই রাতেই
মায়ের ঘরের জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আলমারীতে থাকা ৬ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২৫
হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে ভাবী ডাকাডাকি করলে দেখে ভাই ও তার
ছেলে অচেতন হয়ে আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল
অফিসার তাহেরা ইয়াসমিন পিংকি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,
চেতনা নাশক ওষুধ প্রয়োগ করায় এ ঘটনা ঘটেছে। আমিনুর রহমান লিটু ও তার
আড়াই বছরের শিশু সাদ চিকিৎসাধীন রয়েছে। বর্তমানে তারা শঙ্কামুক্ত।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান, বিষয়টি শুনে
আমিসহ সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে
গিয়েছিলাম। এর সাথে যারা জড়িত তাদেরকে খুব শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা
হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com