• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮
সর্বশেষ :
অবৈধ ইজারা বাতিল ও উচ্ছেদের দাবিতে রাজপথে ভুক্তভোগীরা, সংহতি জানালেন ফাহমিদা হক এমপি ও বাপ্পী শ্যামনগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাকিকে কু*পিয়ে হ*ত্যা, ঘাতক আটক সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে অবৈধ কাঁকড়া শিকার: ৬০ কেজি কাঁকড়াসহ আটক ৩ ‎পাইকগাছায় আমন আবাদ ভালো হলেও নানা প্রতিকূলতায় লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি শ্যামনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান দেবহাটায় সখিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শ্যামনগর এক ডজন মামলার আসামি হাসান গ্রেফতার দেবহাটার বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম শ্যামনগরে দৈনিক রানার এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবে দৈনিক রানারের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

শ্যামনগরে ক্রয়কৃত ও জাল সনদে চাকরী নেওয়া হাফিজুর সরকারী স্কুলের লাইব্রেরিয়ান থেকে শিক্ষক 

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৮১ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪

শ্যামনগরে ক্রয়কৃত ও জাল সনদে লাইব্রেরিয়ান থেকে পরবর্তীতে সরকারী স্কুলের  সহকারী শিক্ষক হয়েছেন মো: হাফিজুর রহমান। সাতক্ষীরা  জেলার শ্যামনগর উপজেলাধীন নকিপুর সরকারি হরিচরন পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান এইচ এস সি পরীক্ষায় নকল করার দায়ে বহিষ্কৃার হন।
পরবর্তীতে উম্নুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইচ এস সি ও বিএ পাস করেন। তৎকালীন সময়ে নকিপুর এইচ এস সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে তিনি তড়িঘড়ি  করে দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাইব্রেরিয়ান  সাইন্সে ডিপ্লোমার সনদ ক্রয় করে আবেদন করেন এবং ২০১১ সালে কৌশলে চাকুরীও পেয়ে যান।
যেহেতু চাকুরীকালীন সনদ জাল ছিল সেহেতু তিনি আবারও পরীক্ষা দেওয়ার কথা বলে জাল সনদ দিয়ে বেতন গ্রহন করেন। স্কুল সরকারীকরনের ঘোষণা আসলে তিনি পূনরায় শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। পরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড সনদ ক্রয় করেন।
উল্লেখ্য  তার লাইব্রেরিয়ান  সাইন্সের সনদ ও বি এড সনদ একই সনের। ১৯৮৩ বিধিতে স্কুলটি সরকারী হলেও সেখানে কোথাও লাইব্রেরিয়ান  শিক্ষক হবে এমন বিধান ছিলনা, শুধুমাত্র  প্রধান শিক্ষকের আনুকূল্যের কারনে এটা সম্ভব হয়েছিল। উল্লেখ্য  ২০২০ সালে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ওড়না টেনে শ্লীলতাহানির অপরাধে এফ আই আর ভূক্ত কেসের  আসামী হয়ে তিনি দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকেন। আলোচিত  এই শিক্ষক ক্লাস করার পরিবর্তে থানায় ও অফিস পাড়ায় বেশি তদবীরে থাকেন বলে শিক্ষক ও অবিভাবকবৃন্দ অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সহকর্মীদের সব সময় ষড়যন্ত্র ও হুমকিতে রাখতে পছন্দ করেন। সঙ্গত কারনে নকলের দায়ে অভিযুক্ত জাল সনদে চাকরী করা হাফিজুর রহমানের সকল প্রাতিষ্ঠানিক সনদের বিষয়ে  তদন্ত পূর্বক উদ্ধোতন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন অত্র স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ, প্রতিষ্ঠানের অবিভাবকবৃন্দ এবং সচেতন মহল।
এবিষয়ে মোঃ হাফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি করছি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com