• সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৯
সর্বশেষ :
সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে : হাবিবুল ইসলাম হাবিব শ্যামনগর পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ম্যনেজারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় না.গঞ্জে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবি সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন বিলুপ্তির পথে সাতক্ষীরার যশ, শীত ফুরালেও জিভে এল না রসের স্বাদ ৩২ বছরে দৈনিক পত্রদূত: ব্যাংদহায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আমেজ ভোটে নিরাপত্তা নিয়ে শংকা নেই, উৎসবমুখর দিন হবে ইনশাল্লাহ : জেলা প্রসাশক আফরোজা আখতার নির্বাচিত হলে আপনার প্রয়োজনে দেখা করতে মিডিয়া লাগবেনা: ড. মনিরুজ্জামান সাতক্ষীরায় ইদুর মারা ফাঁদে বিদ্যুৎপৃষ্টে দুই যুবকের মৃত্যু মফস্বলের সাংবাদিকতা বনাম বাস্তবতা : আহসান রাজীব সাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশরাফুজ্জামান আশু

সাড়ে তিন মাসেও খোঁজ মেলেনি বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৯ জেলের

প্রতিনিধি: / ২৮৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আবু-হানিফ,বাগেরহাট অফিসঃ সাড়ে তিন মাসেও খোঁজ মেলেনি বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ হওয়া দুবলার
চরের ৯ জেলের। আগামী ২৮ মার্চ সুন্দরবনের দুবলার চরের শুটকি পল্লির
কার্যক্রম শেষ হবে। সবকিছু গুটিয়ে নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে
যাবেন জেলে-বহাদ্দরা। কিন্তু বঙ্গোপসাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলেদের কোন
খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠা কাটছে না তাদের নিয়ে আসা বহাদ্দরের।
গত ১৭ নভেম্বের মাছ শিকারের সময় ঘুর্ণিঝড় মিথিলির আঘাতে
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ নিখোঁজ হন ওই ৯ জেলে। এরপর সাড়ে তিন মাস পার
হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন সন্ধান মেলেনি তাদের।
দুবলার চরের অফিস কিল্লার ইসাহাক বহদ্দার ও আবু বহদ্দার জানান, তার এফবি
আল্লাহর দান ফিসিং ট্রলারের ১৪ জেলে মাছ ধরার সময় ঘুর্ণিঝড় মিথিলির
আঘাতে নিখোঁজ হন। পরে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান অবস্থায় ৬ জেলেকে অপর
একটি ফিসিং ট্রলারের জেলেরা জীবিত উদ্ধার করে। কিন্তু ৯ জেলে এবং
ফিসিং ট্রলারের কোন খোঁজ পাওয় যায়নি। প্রায় সাড়ে তিন মাস পাড়
হয়ে গেলেও জেলেদের সন্ধান না পেয়ে তিনি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। এমনকি অর্থনৈতিক ভাবেও নিশ্ব হয়ে
পড়েছেন তিনি।
নিখোঁজ জেলেরা হচ্ছে, চট্ট্রগ্রামের হামিনি জলদাসের পুত্র সুদান,
আব্দুল কারিমের পুত্র নেছার, হাবিবুর রহমানের পুত্র আবুল কাসেম, মোঃ
ইসলামরে পুত্র বাদশা, করিম আকনের পুত্র মোঃ কালু, হরিসন্ন দাসের পুত্র হরি
রঞ্জন, সোনায়েত আলীর পুত্র আমির হোসেন, ইসলাম মিয়ার পুত্র নুরুল
আফসার, এছাড়া মোঃ জামাল মিয়ার পিতার নাম জানাযায়নি। এদের সবার
বাড়ি চট্ট্রগ্রামের বাঁশখালি, সাতকানিয়া ও চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন
গ্রামে। বিষয়টি তারা ২৬ ডিসেম্বর বন বিভাগের দুবলা জেলে পল্লীর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। এছাড়া পাশ্বর্তী ভারতের
বকখালী, কাকদ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকার জেলেদের কাছে খোঁজ নিয়েও কোন
সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এব্যপারে শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা জেলে পল্লীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার
মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে তারা আমাকে জানায়নি।
যার কারনে মিথিলির ক্ষয়ক্ষতির রেপোর্ট দেয়ার সময় ৯ জেলের নিখোঁজ
খবরটি উল্লেখ করা যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com