• শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৮
সর্বশেষ :
আমরা চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ ও ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গড়তে চাই-অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ শ্যামনগরে জনসভা ও গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ব্যাংদহায় সড়ক দূ*র্ঘটনায় বাইসাইকেল আরোহী নি*হত ধানদিয়ায় হাবিবের প্রথম নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত বিএনপির ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে একসঙ্গে বহিষ্কার বিধবাকে কু*পিয়ে হ*ত্যা, রান্নাঘর থেকে মর*দেহ উদ্ধার পাইকগাছায় অবৈধ ইটভাটা–কয়লার চুল্লি উচ্ছেদ নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছে প্রশাসন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: সাতক্ষীরা-১ আসনে পাঁচ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান আব্দুস সালামকে ক্রেস্ট উপহার দিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলমগীর কবির তালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

সাড়ে তিন মাসেও খোঁজ মেলেনি বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৯ জেলের

প্রতিনিধি: / ২৮১ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আবু-হানিফ,বাগেরহাট অফিসঃ সাড়ে তিন মাসেও খোঁজ মেলেনি বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ হওয়া দুবলার
চরের ৯ জেলের। আগামী ২৮ মার্চ সুন্দরবনের দুবলার চরের শুটকি পল্লির
কার্যক্রম শেষ হবে। সবকিছু গুটিয়ে নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে
যাবেন জেলে-বহাদ্দরা। কিন্তু বঙ্গোপসাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলেদের কোন
খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠা কাটছে না তাদের নিয়ে আসা বহাদ্দরের।
গত ১৭ নভেম্বের মাছ শিকারের সময় ঘুর্ণিঝড় মিথিলির আঘাতে
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ নিখোঁজ হন ওই ৯ জেলে। এরপর সাড়ে তিন মাস পার
হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন সন্ধান মেলেনি তাদের।
দুবলার চরের অফিস কিল্লার ইসাহাক বহদ্দার ও আবু বহদ্দার জানান, তার এফবি
আল্লাহর দান ফিসিং ট্রলারের ১৪ জেলে মাছ ধরার সময় ঘুর্ণিঝড় মিথিলির
আঘাতে নিখোঁজ হন। পরে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান অবস্থায় ৬ জেলেকে অপর
একটি ফিসিং ট্রলারের জেলেরা জীবিত উদ্ধার করে। কিন্তু ৯ জেলে এবং
ফিসিং ট্রলারের কোন খোঁজ পাওয় যায়নি। প্রায় সাড়ে তিন মাস পাড়
হয়ে গেলেও জেলেদের সন্ধান না পেয়ে তিনি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। এমনকি অর্থনৈতিক ভাবেও নিশ্ব হয়ে
পড়েছেন তিনি।
নিখোঁজ জেলেরা হচ্ছে, চট্ট্রগ্রামের হামিনি জলদাসের পুত্র সুদান,
আব্দুল কারিমের পুত্র নেছার, হাবিবুর রহমানের পুত্র আবুল কাসেম, মোঃ
ইসলামরে পুত্র বাদশা, করিম আকনের পুত্র মোঃ কালু, হরিসন্ন দাসের পুত্র হরি
রঞ্জন, সোনায়েত আলীর পুত্র আমির হোসেন, ইসলাম মিয়ার পুত্র নুরুল
আফসার, এছাড়া মোঃ জামাল মিয়ার পিতার নাম জানাযায়নি। এদের সবার
বাড়ি চট্ট্রগ্রামের বাঁশখালি, সাতকানিয়া ও চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন
গ্রামে। বিষয়টি তারা ২৬ ডিসেম্বর বন বিভাগের দুবলা জেলে পল্লীর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। এছাড়া পাশ্বর্তী ভারতের
বকখালী, কাকদ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকার জেলেদের কাছে খোঁজ নিয়েও কোন
সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এব্যপারে শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা জেলে পল্লীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার
মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে তারা আমাকে জানায়নি।
যার কারনে মিথিলির ক্ষয়ক্ষতির রেপোর্ট দেয়ার সময় ৯ জেলের নিখোঁজ
খবরটি উল্লেখ করা যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com