এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৯টি সাধারণ, একটি মাদ্রাসা ও একটি কারিগরি—মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছর (২০২৪) পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। সে হিসেবে এ বছর পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
এবার সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন, যেখানে গত বছর এই সংখ্যা ছিল এক লাখ ৪৫ হাজার ৯১১। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন।
বোর্ডভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৩ জন, রাজশাহী বোর্ডে ১০ হাজার ১৩৭ জন,,দিনাজপুর বোর্ডে ৬ হাজার ২৬০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬ হাজার ৯৭ জন, যশোর বোর্ডে ৫ হাজার ৯৯৫ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৪ হাজার ২৬৮ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ২ হাজার ৭০৭ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ২ হাজার ৬৮৪ জন, বরিশাল বোর্ডে ১ হাজার ৬৭৪ জন, কারিগরি বোর্ডে ১ হাজার ৬১০ জন এবং সিলেট বোর্ডে ১ হাজার ৬০২ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা তিনভাবে ফলাফল জানতে পারবে—
১. অনলাইনে www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে।
২. সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে।
৩. এসএমএসের মাধ্যমে— মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে:
HSC <স্পেস> বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল <স্পেস> বছর
এরপর পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।
ফল প্রকাশ উপলক্ষে একই দিন সকাল ১০টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে। বোর্ড বা অন্য কোনো অফিসে সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
প্রসঙ্গত, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী। সারাদেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।
https://www.kaabait.com