• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৭
সর্বশেষ :
সুন্দরবনে আবারো মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে বনদ*স্যুদের দৌ*রাত্ম্য, ভয়ে জীবিকা হারাচ্ছেন জেলে বাওয়ালিরা ঘূ*র্ণিঝ*ড়ে প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘর ল*ণ্ড*ভণ্ড দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা ক্লাস্টার কমিটি, শিক্ষা কর্মকর্তা ও রিডিং ক্যাম্পের সাথে সমন্বয় সভা শ্যামনগরে দেশীয় অ*স্ত্রের আ*ঘা*তে র*ক্তা*ক্ত জ*খ*ম -১ রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গু*লিতে আ*হত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃ*ত্যু শ্যামনগরে পেট্রোল প্যাম্পগুলোতে প্রশাসনের মনিটরিং অভিযান কালিগঞ্জে সাংবাদিক সমিতি আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিওর ক্রপস লিমিটেডের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও কুরআনের পাখিদের মধ্যে পোষাক বিতরণ উপজেলায় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তালার শেখ ইয়াসিন আলী সাতক্ষীরা সদরে অদম্য নারী পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত পাঁচ নারীর আত্মকথা

বিশ্ব কীটনাশক মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে মানববন্ধন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৬৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
বিশ্ব কীটনাশক মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে মানববন্ধন

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কৃষিতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার হ্রাসকরণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম, সবুজ সংহতি, যুব স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয় কমিটি ও বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এর যৌথ আয়োজনে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সবুজ সংহতির আহ্বায়ক কুমুদ রঞ্জন গায়েন।

 

উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ২-৩ ডিসেম্বের রাতে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভােপাল শহরে ইউনিয়ন কার্বাইড ইন্ডিয়া লিমিটেড নামে একটি পেস্টিসাইড কারখানায় ভয়াবহ রাসায়নিক দূর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল যা ভােপাল বিপর্যয় বা ভােপাল গ্যাস ট্র্যাজেডি নামে পরিচিত। এটি এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিল্প বিপর্যয় হিসেবে ধরা হয় হয়। এতে কারখানার আশেপাশের শহরগুলোর ৫০,০০০০ এরও বেশি মানুষ অত্যন্ত বিষান্ত মিথাইল আইসো সায়ানেট গ্যাসের সংস্পর্শে আসেন। সরকারি হিসাবে এ দূর্ঘ্টনায় ২২৫৯ জন মানুষ মৃত্যু বরণ করেন বলে জানানো হয়। তবে মূতের সংখ্যা অনেক বেশি বলে অনুমান করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় কীটনাশক মুক্ত একটি মডেল শ্যামনগর উপজেলা গড়ার প্রত্যয়ে এই আয়োজন।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম এর সদস্য সচিব মো. সাঈদুল ইসলাম, যুব স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয় কমিটির সদস্য মো. শামীম হোসেন, সোনামুগারী কৃষক-জেলে কল্যাণ সমিতির সভাপতি কোহিনুর বিবি, বারসিক এর সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও সবুজ সংহতির যুগ্ম আহ্বায়ক পীযুষ বাউলিয়া পিন্টু, কৃষক-গবেষক দলের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, কীটনাশক বিক্রেতা অশোক মন্ডল, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক উপদেষ্টা শেখ আফজালুর রহমান।

 

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার দিনদিন বেড়েই চলছে, যার কারণে আমাদের জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে। জীববৈচিত্র্য ভালো রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব এজন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। রাসায়নিক কীটনাশককে না বলে জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করতে হবে এবিষয় সকলে একমত পোষণ করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বারসিক এর যুব সংগঠক স.ম ওসমান গনী সোহাগ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com