• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৬
সর্বশেষ :
মৎস্য ঘেরের আইলে সবজি চাষে তালার কৃষকদের সাফল্য মুঠোফোনে জুয়ার ফাঁদ: দ্রুত লাভের আশায় সর্বস্ব হারাচ্ছে তরুণরা বিডিএফ প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ দেবহাটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুন্নবীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সাতক্ষীরা শ্যামনগরে ৪ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে পাস করাতে পারেননি ১২ শিক্ষক না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক

আঠারোমাইল সৈয়দ ঈসা কলেজের অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ : মুল ফটকে তালা : শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ৩৬৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
আঠারোমাইল সৈয়দ ঈসা কলেজের অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ

খুলনার ডুমুরিয়া সৈয়দ ঈসা টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ জি এম আব্দুস সাত্তারকে অবরুদ্ধ করে রাখে ওই প্রতিষ্ঠানের বেতন বঞ্চিত শিক্ষকরা। এ সময়ে শিক্ষকরা মুল ফটকে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। সাড়ে তিন ঘন্টা পর শিক্ষকদের সকল প্রকার ডকুমেন্টস এবং অর্থ আগামী শনিবার ফেরত দেয়ার শর্তে মেলে মুক্তি। রবিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।

 

সরেজমিন যেয়ে ও একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পর ২০২২ সালে আঠারোমাইল সৈয়দ ঈসা এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ এমপিও হয়। এমপিও হওয়ার পরে ৪০ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন হওয়ায় কথা থাকলেও অধ্যক্ষ অনিয়ম করায় অধিকাংশ শিক্ষক -কর্মচারীর বেতন হয় না। দীর্ঘ দিন বেতন না হওয়ায় এবং বার বার বেতন পাশ করার কথা বলে উৎকোচ গ্রহন করায় বেশ কিছু দিন ধরে শিক্ষকরা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিতে থাকে।

 

অধ্যক্ষ কোনো শুনানীতে হাজির হয় না। নিরুপায় হয়ে শিক্ষকরা রবিবার অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এসময়ে তারা কলেজের মুল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক এর মধ্যস্থতায় আগামী শনিবার সকল প্রকার কাগজ ফেরত দেওয়ার শর্তে বিকেল সাড়ে ৩ টায় তালা খুলে দেওয়া হয়।

 

এ ব্যাপারে আন্দোলনকারী শিক্ষক এম এম আলাউদ্দিন বলেন, নানা অপকর্মের প্রতিবাদে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে
আসছি। বার বার অধ্যক্ষ কথা দিয়ে কথা রাখে না। যে কারণে আমরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখি। পরে শনিবার পর্যন্ত সময় নিয়েছেন।

 

অধ্যক্ষ জি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, ভূল বোঝাবুঝির কারণে সমস্যা হচ্ছে।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মুহাম্মদ আল-আমিন বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের অপকর্মের কারণে সিংহভাগ শিক্ষক এর বেতন হয়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলমান রয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com