• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৬
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

বড়দল বাজার উন্নয়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি / ২১২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
Oplus_131072

দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী হাট আশাশুনি উপজেলার বড়দল বাজার। এই বাজারের ঢালাই রাস্তা, (কংক্রিট), চাঁদনী ঘর, পাকা ড্রেন, পাকা ল্যাট্রিন নির্মাণ করা সহ বাজারের বিভিন্ন বিষয়ের উন্নয়নের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আব্দুল ওয়াহাব মোল‍্যা।

 

বুধবার সকালে লিখিত আবেদনে অনুলিপি: প্রধান প্রকৌশলী এলজিডি ভবন ঢাকা, নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিডি কার্যালয় ও উপজেলা প্রকৌশলী আশাশুনি, সাতক্ষীরা বরাবর আবেদনটি জমা দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান হিমুর কাছে। আবেদনে জানা গেছে, বৃহত্তম বড়দল বাজারটি দক্ষিণ খুলনার প্রসিদ্ধ ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে সুপ্রসিদ্ধ ছিল। একসময় ছোট কলিকাতা নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল। সে সময় উক্ত বাজার হতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, শহর বন্দরের ব্যবসায়ীগণ পাইকারী মালামাল খরিদ করে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যেতেন। সপ্তাহের সাত দিন পর রবিবারে হাট বসে। হার্টের অধিকাংশ মালামাল নিয়ে আসতেন নদী পথে। কালের বিবর্তনে ও পার্শ্বস্থিত কপোতাক্ষ নদীটা আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ বছর যাবত পলি পড়ে ভরাট হওয়ার কারণে ব্যবসায়ীদের মালামাল বহনের নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে বাজারটির কলেবর ছোট হয়ে গেলেও শুক্রবার, শনিবার ও রবিবার তিন দিনে বিভিন্ন ধরনের কাপড় সহ অন্যান্য মালামাল জমজমাট ভাবে পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় হয়ে থাকে।

 

উল্লেখ্য অত্র বাজারটি দীর্ঘকাল যাবত ব্যক্তি মালিকানায় থাকে। কিন্তু স্থানীয় কিছু দেশ ও মানব প্রেমিক, জনস্বার্থে ও সরকারি স্বার্থে বহু ত্যাগ তিতিক্ষায় ও চেষ্টায় কয়েকজন উচ্চপদস্থ দেশপ্রেমিক সরকারি কর্মকর্তা দ্বারা বর্তমান সময়ে বাজারটি পেরিপেরি হয়েছে। যার ফলে অত্র বাজার হতে সরকারি কর্তৃপক্ষ অনেক রাজস্ব পেয়ে থাকেন। এলাকাবাসী উক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের নিকট কৃতজ্ঞ ও চিরঋনী হয়ে থাকবে। বৃহত্তম বাজারটির চলাচলের রাস্তা গুলি খুবই খারাপ এবং হাটুরিয়া ব্যবসায়ীদের চাঁদনী ঘরের অভাবে খুব ভোগান্তি পেতে হচ্ছে।

 

এছাড়া বাজারে মধ্যে পানি নিষ্কাশনের জন্য তেমন ব্যবস্থা না থাকায় অনেক স্থায়ী দোকানদারদের বাড়ির মধ্যে বর্ষাকালে পানি জমা হয়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ কারণে বিভিন্ন রোগে রোগাক্রান্ত হয়ে এক মানবেতর জীবন-যাপন করেন এলাকাবাসী। জরুরি ভিত্তিতে ঢালাই রাস্তা, (কংক্রিট), চাঁদনী ঘর, পাকা ড্রেন, পাকা ল্যাট্রিন নির্মাণ করা সহ বাজারের বিভিন্ন বিষয়ের উন্নয়নের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com