• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫
সর্বশেষ :
ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি পাটকেলঘাটায় শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ দুই বছর পর সাতক্ষীরায় ৩শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা শুরু শ্যামনগরে পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধ নাইন্টি পাইপ, কৃষিজমি ও বাঁধ নিয়ে শঙ্কা আতঙ্কিত এলাকাবাসী শ্যামনগরে ছেলে ও পৌত্রের শাররীক নির্যাতনে হাসপাতালে ৮০ বছরের বৃদ্ধ সাতক্ষীরায় নদীকৃত্য দিবস পালিত দখল-দূষণমুক্ত জীবন্ত নদীর দাবি তালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওর মাধ্যমে ডিসিকে স্মারকলিপ নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট হাডুডু টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাঁচপাড়া দল চ্যাম্পিয়ন সখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণ কেশবপুরে ট্রাকের ধাক্কায় হাবিবের গাড়ি দুমড়েমুচড়ে, প্রাণে বাঁচলেন

ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

সাতক্ষীরায় দুই তরুণীর ছবি ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে চাঁদা দাবি এবং ছবি বিকৃত করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভূক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। যার জিডি নম্বর- ২০৩৫ (জিডি ট্র্যাকিং নং: 761KJZ)।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার বাসিন্দা মো. হাসানুজ্জামানের ছোট বোন ফাহমিদা ইশা (২০) এবং ভাগনি জান্নাত আলমের (১৪) ছবি ব্যবহার করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। চক্রটি ‘Munia Moon (রিন্তু)’ নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি এবং একটি ভুয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভূক্তভোগীদের ছবি আপলোড করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

 

আবেদনকারী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, অজ্ঞাতনামা চক্রটি তাঁর ভাগনি জান্নাত আলমের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে আসছে। টাকা না দিলে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁদের ছবি অশ্লীলভাবে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তাঁদের পরিবারের সামাজিক মান-সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে তারা বলেন।

 

জিডিতে আরও আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয় যে, চক্রটি এই ভুয়া আইডিগুলো ব্যবহার করে ভবিষ্যতে এআই দিয়ে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি বা সরকারবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পরিবারটিকে বড় ধরনের হয়রানিতে ফেলতে পারে।

 

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে এবং ডিউটি অফিসারকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) সৈকত পাড়েকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, সাইবার অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com