• বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১
সর্বশেষ :
সাংবাদিক আব্দুল মতিন হাসপাতালে ভর্তি, সকলের কাছে দোয়া কামনা এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীদের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এমদাদুল হকের দোয়া কামনা এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় আলহাজ্ব মাঈন উদ্দিন ময়নার শুভেচ্ছা নগরঘাটায় নতুন সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব আশাশুনিতে মোবাইল কোর্ট : ১৩ লক্ষ টাকার বাগদা বিনষ্ট নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা গঠনের সিদ্ধান্ত বিলুপ্তপ্রায় কালিম পাখি পোষ মানিয়ে সফল ডুমুরিয়ার চুকনগরের মৎস্য ব্যবসায়ী! তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ নীলডুমুর বাজারে হার্ডওয়্যার দোকান থেকে অজগর উদ্ধার

আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওয়ামী মাদ্রাসা নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি / ৩৪২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

নানা জটিলতায় নিতান্তই অসহায়ভাবে পবিত্র কোরআন শিক্ষা নিতে হচ্ছে আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওয়ামী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের।

 

শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা, আবাসন ব্যবস্থা না থাকা, সুপেয় পানির অভাব, সীমানা প্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তা জটিলতার মধ্যেও চলছে ৭৫ জন শিশুর পবিত্র কোরআন শিক্ষা।

 

সরজমিন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, চলমান শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও একচালা টিনের ঘরের মেঝেতে মাদুর পেতে শীতে কাঁপতে কাঁপতে তারা পড়াশোনা করছে। দ্বীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বিরুদ্ধ প্রকৃতির সাথে হার না মানা লড়াইটা তাঁরা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে যাচ্ছে এই শিশু বয়সেই।

 

মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্ট মিয়ারাজ আলী সাংবাদিকদের জানান শত কষ্টের মাঝেও হাসিমুখে কিভাবে তিনি এই অসহায় এতিম শিশুদের মাঝে দ্বীনের শিক্ষার ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন।

 

তিনি বলেন, আশেপাশের অসহায়, হতদরিদ্র ও এতিম শিশুদের নূরানী, নাজরা, হেফজ ও কিতাব খানা শিক্ষা দানের লক্ষ্যে সকলের পরামর্শ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতার আশ্বাসে গ্রামে একটি দারুল উলুম কওয়ামী মাদ্রাসা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জমি দিতে কেউ সম্মত না হলে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে কাদাকাটি বাজার সংলগ্ন অতি মনোরম পরিবেশের নিজস্ব প্রায় ৩ বিঘা জমিতে ২০০৫ সালে তিনি কওয়ামী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিনের চাল ও বেড়া দিয়ে, এলাকা থেকে বাঁশ চেয়ে নিয়ে কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করে ৩ জন শিক্ষক নিয়ে আমরা মাদ্রাসার পাঠদান শুরু করি।

 

এলাকার অসহায়, দুঃস্থ ও এতিম ছেলেমেয়েদের ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়ায় অভিভাকরা তাদের শিশুদের মাদ্রাসায় পাঠাতে শুরু করেন। কিন্তু টিনের ঘরে গরমের সময় যেমন গরম তেমন শীতের সময় প্রচণ্ড শীতে ছেলেমেয়েদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। আবার বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কাদাপানিতে পাঠদান ব্যাহত হয়। তারপরও বর্তমানে ৭৫ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছে। শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা ও আবাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দ্বিতল ভবন নির্মাণ, সুপেয় পানির অভাব পূরণে গভীর নলকূপ স্থাপন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com