• বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৪:১৮
সর্বশেষ :
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত পবিত্র ঈদুল আজহা আজ পবিত্র ঈদুল আযহায় সখিপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মঈন উদ্দীন ময়না তালায় ভ*য়া*বহ সড়ক দু*র্ঘট*না, প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর শ্যামকুড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম আন্তর্জাতিক স্পাইন সম্মেলনে বাংলাদেশের চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান যুগীপোতায় ধান ও বিচলীর গাদায় আগুন দিয়ে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ  শ্যামনগর পাংসের খাল পুনঃখনন কাজে বাধা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন চোরের দায়ে ‘হাজতে’ অবলা গরু! কয়রায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ফতুল্লার ডিআইটি মাঠে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মান্নান মিয়া

আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে সড়কে আবারো গর্ত, বড় দুর্ঘ*টনার আশঙ্কা

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি / ৬৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

আশাশুনি-টু-বড়দল সড়কের মানিকখালি ব্রিজের সামনে আবারো বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়ে রাস্তাটি খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

জানা গেছে, আশাশুনি থেকে বড়দল পর্যন্ত এই সড়কটি বর্তমানে অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি মেইন সড়ক। দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যাতায়াতের জন্য এটি একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ পথ। সড়কটিতে একটি টোল প্লাজাও রয়েছে, যা থেকে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হয়। এই সড়ক দিয়ে সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, দেবহাটা, তালা, পাটকেলঘাটা এবং খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার যানবাহন নিয়মিত চলাচল করে।

 

প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, ইজিবাইক, ইঞ্জিনভ্যান, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল ও ট্রলিসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এ পথে চলাচল করে থাকে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে হালকা বৃষ্টির কারণে ব্রিজের ঢালু অংশ দিয়ে পানি নেমে এসে রাস্তার স্লোপের মাটি ধুয়ে নেয়। এতে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়। পরে তা সংস্কার করা হলেও একই স্থানে আবারো গর্ত তৈরি হয়েছে।

 

এছাড়া মানিকখালি ব্রিজ থেকে বড়দল ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের অন্তত তিনটি স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ইটের সলিং বসানো রয়েছে। ফলে পুরো সড়কজুড়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহনে চলাচল করা যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। অতিরিক্ত ঝাঁকুনিতে যাত্রীদের শরীরে ব্যথা সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে যানবাহনে বসে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ছে।

 

বিশেষ করে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের জন্য এ সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়া গোয়ালডাঙ্গা এলাকায় রাজু পুলিশের বাড়ির সামনে এবং ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থাকা দুটি পানি নিষ্কাশনের কালভার্টও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় এসব স্থানেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন পথচারী ও এলাকাবাসী। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পারভেজ হোসেন বলেন, “একই স্থানে আগে একবার গর্ত হয়েছিল, সেটি মেরামত করা হয়েছিল। আবার গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকালই লোক পাঠিয়ে দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।”


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com