• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৫
সর্বশেষ :
দেবহাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে গাছগাছালি কর্তন ও দখলের চেষ্টা, আদালতে মামলা বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ডুমুরিয়ায় থানার পাশের ডাকবাংলো এখন ‘ভূতুড়ে বাড়ি’ ধুলিহর শতবর্ষী আছিয়া বেগমের পাশে সদর প্রশাসন,খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন সংবাদকর্মীরা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্ত সংস্কারের অভাবে মরণফাঁদে শাহাপুর-দৌলতপুর সড়ক, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ বিশ্বকাপে মেসির ১৭তম গোল, এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন কাজের মানে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী, বৃক্ষরোপণে সুরক্ষার দাবি দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রনোদনা কর্মসূচীর গাছের চারা বিতরন

সাংবাদিক পরিবারও রেহাই পায়নি চেয়ারম্যান হাকিমের হাত থেকে!

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৭৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

বীর নিবাস’ পাইয়ে দেওয়ার নামে নেওয়া হয় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ফেরতের আকুতি বৃদ্ধা আলেয়া বেগমের

 

সরকারি ‘বীর নিবাস’ পাইয়ে দেওয়ার নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিকের পরিবারের কাছ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়ন ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে। বর্তমানে চরম অর্থকষ্টে থাকা বৃদ্ধা আলেয়া বেগম তার টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

জানা গেছে, উপজেলার দুদলী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক রজব আলীর পরিবারকে সরকারি ‘বীর নিবাস’ প্রকল্পের আওতায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম। এ সময় পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে পরে সরকার বিনামূল্যে ঘর বরাদ্দ দিলেও ওই টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

 

ভুক্তভোগী আলেয়া বেগম জানান, তার বড় ছেলে কেএম আমিনুর রহমান সম্প্রতি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। স্বামী ও উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনার সামর্থ্যও নেই বলে জানান এই বৃদ্ধা।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে আলেয়া বেগম বলেন,
“সরকার আমাকে বিনামূল্যে ঘর দিয়েছে। তাহলে চেয়ারম্যান কেন আমার ছেলের কাছ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছিল? আজ আমার ওষুধ কেনার টাকা নেই। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।”

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই ধরনের অভিযোগে আরও কয়েকটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে ভয়ে অনেকে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম বলেন,
“এসব তথ্য মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

 

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের টাকা ফেরত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com