• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪
সর্বশেষ :
পাটকেলঘাটায় পরিবহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কোরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক শ্যামনগরে সারাদেশের নেয় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আব্দুল আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের শোক ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ শুরু পাটকেলঘাটায় বিদ্যালয়ের জমি দখলকে কেন্দ্র করে গ্রাম ডাক্তারকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাইকগাছায় ভোরবেলার চারার হাট জমে উঠেছে অপরাধমুক্ত দেবহাটা গড়তে পুলিশের পাশে জনগণকেও দাঁড়াতে হবে দেবহাটায় দুটি বিদ্যালয়কে গ্রীন স্কুল ঘোষণা সাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তর

উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্ব হারালেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা সাতক্ষীরা / ৮১ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ,উন্নয়ন তহবিলে অনিয়ম এবং শ্মশানের জমি দখলের অভিযোগে তদন্তের মুখে পড়েছেন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জগদীশ সরকার। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু হওয়ার পর তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে বিদ্যালয়টিতে সরেজমিন তদন্ত করেন দেবহাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। তদন্ত চলাকালে জগদীশ সরকারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সহকারী শিক্ষক শরিফুল ইসলামকে নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

 

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয় থেকে অন্যত্র চলে যাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর নামে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা সেই অর্থ পায়নি। তাঁদের দাবি, গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে এ ধরনের অনিয়মের ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন থাকা, উন্নয়ন তহবিল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, শ্মশানের জমি নিয়ে বিরোধ এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।

 

অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্মশানের জমি দখলের প্রতিবাদে এর আগে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধনও অনুষ্ঠিত হয়। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জগদীশ সরকার বলেন, বিদ্যালয়ে কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায় শিক্ষকদেরই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে হয়। আর বিদ্যালয়ের সময়সীমার কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না।

 

দেবহাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জগদীশ সরকারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com