• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫
সর্বশেষ :
পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দেবহাটায় যুবদলের বিক্ষোভ ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই সময়মতো উন্মুক্ত হবে কি পাইকগাছার কুড়ুলিয়া-লস্কর সেতু? সেপ্টেম্বরেই শেষ মূল চুক্তির মেয়াদ তালায় ২৯ জন উপকারভোগীর মাঝে ছাগল, ভেড়া ও ঘর বিতরণ বেতনা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে দুকূল জুড়ে দর্শকের উপচে ভীড় ‎ দেবহাটার সখিপুরে শিশু যৌন পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সমন্বয় সভা না.গঞ্জ সদরে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ শ্যামনগরে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুতে উত্তাল এলাকা কুশপুত্তলিকা দাহ শ্যামনগরে পাওনা টাকার দাবীতে আপন ভাইয়ের নামে মামলা

১৯৮৫ থেকে জীবনের সঙ্গে লড়াই, ভরসা শুধু আল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১১৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Oplus_131072

সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিমের দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প

জীবন সবার জন্য সহজ নয়। কারও জীবনে সুখের চেয়ে সংগ্রামের গল্পই বেশি দীর্ঘ হয়। সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিমের জীবনও তেমনই এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। ১৯৮৫ সাল থেকে শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে আজ পর্যন্ত নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছেন তিনি।

 

জীবনের শুরু থেকেই নানা সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে। সময়ের সঙ্গে বেড়েছে দায়িত্ব, পারিবারিক চাপ ও সামাজিক নানা প্রতিকূলতা। সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে মানুষের কথা তুলে ধরলেও নিজের জীবনের কষ্টগুলো অনেক সময় আড়ালেই রেখেছেন।

 

দীর্ঘ এই পথচলায় অবহেলা, অসম্মান, ভুল বোঝাবুঝি ও মিথ্যা অপবাদের মতো নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। কাছের মানুষের আচরণও কখনো কখনো তাঁকে গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে। অনেক কথা বলার থাকলেও বলা হয়নি, অনেক অভিমান ও যন্ত্রণা নিজের মধ্যেই রেখে পথ চলতে হয়েছে।

 

 

জীবনের কঠিন সময়ে তাঁর মনে প্রশ্ন জেগেছে, “আর কত কষ্ট, কত অবহেলা ও অসম্মান সহ্য করতে হবে?” তারপরও তিনি থেমে যাননি।

 

কারণ তাঁর বিশ্বাস, মানুষ ভুল বুঝতে পারে, অন্যায় করতে পারে কিংবা মিথ্যা অপবাদ দিতে পারে। কিন্তু মহান আল্লাহ সবকিছু দেখেন এবং তিনিই প্রকৃত বিচারক।

 

কে এম রেজাউল করিম বলেন,
“হে আল্লাহ, মানুষের কাছে আর কোনো অভিযোগ নেই। কে সত্য আর কে মিথ্যা, কে আপন আর কে পর, সব বিচার তোমার ওপর ছেড়ে দিলাম। তুমি সব দেখো, তুমি সব জানো।”

 

১৯৮৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পথচলায় অনেক মানুষ এসেছেন, অনেকেই দূরে সরে গেছেন, বদলে গেছে অনেক সম্পর্ক। কিন্তু প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি আজও বেঁচে আছেন, কাজ করছেন এবং সামনে এগিয়ে চলেছেন।

তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় নিয়ামত হলো, মহান আল্লাহ এখনো তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাই জীবনের সব কষ্ট ও হিসাব-নিকাশ তিনি সৃষ্টিকর্তার হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন।

 

তাঁর বিশ্বাস,
“মানুষের আদালতে বিচার না হলেও আল্লাহর আদালতে কোনো অন্যায় অগোচরে থাকে না।”

 

১৯৮৫ সাল থেকে শুরু হওয়া সেই লড়াই আজও চলছে। তবে মানুষের সঙ্গে নয়, জীবনের প্রতিকূলতা ও নিজের কষ্টের সঙ্গে। আর এই দীর্ঘ যাত্রায় তাঁর সবচেয়ে বড় আশ্রয় ও ভরসা মহান আল্লাহ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com