• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪০
সর্বশেষ :
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হাতের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই বিধবা হলো সদ্য বিবাহিত গৃহবধূ তানিয়া খাতুন শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরে বি*ষ প্রয়োগের অ*ভিযো*গ: দিশেহারা মৎস্য চাষী দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা সখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার, সময়মতো মিলছে না খাবার দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত না.গঞ্জে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি চলমান সমাজকল্যাণ সহায়তা কর্মসূচি প্রথম বর্ষ সমাপ্তি ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতছে ইরান, এই খবরে ইউরোপের বাজারে চরম হাহাকার পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা চায় নগরঘাটার মানসিক প্রতিবন্ধি আলিমের পরিবার

আল মামুন / ১৭২ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
মানসিক প্রতিবন্ধি আব্দুল আলিম

ঘটনাটি ঘটে আজ থেকে প্রায় ৫বছর আগে। স্যালো মেশিনের ইঞ্জিন দিয়ে তৈরি নছিমনে ভাড়া খেটে আয় করা টাকা দিয়ে আব্দুল আলিম মাংস কিনে ফিরছিল বাড়ির উদ্দেশ্যে। পথিমধ্যে সাতক্ষীরা খুলনা সড়কের তালতলায় পৌছালে একটি কুকুরকে বাচাতে গিয়ে নিজে দূর্ঘটনায় পতিত হয়। এসময় তার মাথায় মারাত্বক যখম হয়। স্থানীয়রা তাকে সে সময় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠালে কর্মরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পরামর্শ দেয়। খুলনা ২৫০শয্যা হাসপাতালের মেঝেতে কেটেছে দীর্ঘদিন তার। বর্তমানে কিছুটা সুস্থ হলেও মানসিক প্রতিবন্ধি হয়ে জীবন-যাপন করছে। তবে প্রতিবন্ধি হলেও বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সহায়তা সে পায়নি। সে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে। ব্যক্তি জীবনে সে ৫ সন্তানের জনক।

 

প্রতিবেশি বেলাল হোসাইন জানান, ইঞ্জিন ভ্যান চালিয়ে জীবন-যাপন করতো আলিম ভাই। ব্যক্তি জীবনে তিনি বেশ রশিক প্রকৃতির ছিলেন। কয়েক বছর হল তিনি ও তার পরিবার চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। সুস্থ হয়ে সে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক সেটায় আমাদের চাওয়া।

 

আলিমের স্ত্রী লাইলী বেগম বলেন, কয়েক বছর আগে একটি কার্ডের জন্য খুব চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের অভাবের সংসার। নূন আনতে পানতা ফুরায়। স্বামীর জন্য ঠিক মত ওষুধ কিনতে পারছি না। ছেলেরা যে যার মত আলাদা সংসার করে। সরকারী সহায়তা পেলে খুবই উপকৃত হবো।

 

এবিষয়ে ৬নং ওয়ার্ড সদস্য নুরুজ্জামান মুকুল জানান, আলিমের পরিবার আমি নির্বাচিত হওয়ার আগে কিভাবে বা কার মাধ্যমে চেষ্টা করেছিল সেটা আমার জানা নেই। আমি নির্বাচিত হয়ে তাদের পরিবারে একটি মাসে ৩০কেজি করে চালের কার্ড করে দিয়েছি। সম্প্রতি সার্ভার বন্ধ ছিল। সার্ভার চালু হলে তার প্রতিবন্ধি কার্ডের আবেদন করাসহ সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তালা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মনোজ কান্তি রায় বলেন, এতদিন কেন প্রতিবন্ধি কার্ড হয়বনি, সেটা আমার জানা নেই। নতুন করে আবেদন করে আমাদের অফিসে পাঠালে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com