জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের বিজয় হলে সর্বপ্রথম চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ মুক্ত হলে তবেই আমরা প্রকৃত অর্থে মুক্ত হব। তাই ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে বাংলাদেশ জয়ী হবে, আর ‘না’ ভোট জয়ী হলে বাংলাদেশ পরাজিত হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমীর বলেন, আমরা কোনো গোলামির কাছে মাথা নত করব না; আমরা স্বাধীন হব। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে প্রতিবেশীর মতোই আচরণ করা হবে। আমরা তাদের সঙ্গে ন্যায্য ও সম্মানজনক সম্পর্ক চাইব। কিন্তু কেউ ভিন্ন কিছু ভাবলে আমরাও বসে থাকব না।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় বহু রত্ন রয়েছে। তাদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান নামের একজন ক্রিকেটার আছেন, যিনি দেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র।
তিনি আরও বলেন, অতীতে সাতক্ষীরার মতো কোনো জেলার মানুষ এত বেশি রক্ত দেয়নি। এই অঞ্চলে ৪৮ জন মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছিল। মানুষ হত্যা করেও তারা থেমে থাকেনি; বরং জুলুম, নির্যাতন ও গুম, কোনো কিছুই বাদ দেওয়া হয়নি। এমনকি বহু নেতাকর্মীর বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ সে সময় সাতক্ষীরার উন্নয়নে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আল্লাহ যদি সুযোগ দেন, তাহলে সাতক্ষীরাকে একটি উন্নয়নের জেলায় পরিণত করা হবে। এই জেলায় কাজী শামসুর রহমান ও রিয়াসাত আলীর মতো মানুষ ঘুমিয়ে আছেন। যারা দেশপ্রেম ও মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।
জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার , জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম , সাতক্ষীরা-১ (তালা ও কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
https://www.kaabait.com