• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫
সর্বশেষ :
সময়মতো উন্মুক্ত হবে কি পাইকগাছার কুড়ুলিয়া-লস্কর সেতু? সেপ্টেম্বরেই শেষ মূল চুক্তির মেয়াদ তালায় ২৯ জন উপকারভোগীর মাঝে ছাগল, ভেড়া ও ঘর বিতরণ বেতনা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে দুকূল জুড়ে দর্শকের উপচে ভীড় ‎ দেবহাটার সখিপুরে শিশু যৌন পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সমন্বয় সভা না.গঞ্জ সদরে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ শ্যামনগরে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুতে উত্তাল এলাকা কুশপুত্তলিকা দাহ শ্যামনগরে পাওনা টাকার দাবীতে আপন ভাইয়ের নামে মামলা শ্যামনগরে আসামি কর্তৃক মামলার বাদী শিক্ষিকাকে জীবন নাশের হুমকি, নিরাপত্তা হীনতায় পরিবার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও অর্ধ সমাপ্ত প্রায় ৭ কোটি টাকার পৌর ভবন নির্মাণ প্রকল্প

সাতক্ষীরায় রেকর্ড রুমের সিল-স্বাক্ষর জালিয়াতি, ৭ কোটি টাকার জমি আত্মসাতের চেষ্টা; মামলা হলেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামিরা

এসএম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৭৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা রেকর্ড রুমের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সিল ও স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৭ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মামলা হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরা।

 

অভিযোগে বলা হয়েছে, শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত মেঘনাথ গাইনের ছেলে মলয় কুমার, কুমারেন্দ্র নাথ এবং ভোলানাথ গাইনের ছেলে অরবিন্দু নাথ জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা করেন। গোপালপুর মৌজার এসএ ২১, ২৪, ২৫ ও ২৬ নম্বর খতিয়ানের চার একর ৩২ শতক জমি ১৯৮১ সালে জালিয়াতির মাধ্যমে নিজেদের নামে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

 

তথ্য অনুযায়ী, প্রায় তিন দশক আগে ভারতে চলে যাওয়া ক্ষেত্র দাস দিং দের দাতা সাজিয়ে তারা প্রায় ৭ কোটি টাকা মূল্যের জমি দখল করেন। পরে ওই জমির অনুকূলে জাল খতিয়ান তৈরি, নামপত্তনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
পরবর্তীতে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে তারা সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ১৮/২০০৫ নম্বর মামলা দায়ের করেন এবং দাবির সমর্থনে জেলা রেকর্ড রুমের সিল-স্বাক্ষরযুক্ত খতিয়ানের কপি দাখিল করেন।

 

সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর ব্রহ্মশাসন গ্রামের মো. মুজিবুল হক জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

 

রেকর্ড রুম শাখার তদন্তে প্রমাণিত হয়, মলয় কুমারদের সরবরাহ করা কাগজপত্র সৃজিত ও জাল। এর প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এস এম ফজলুল রহমান বাদী হয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪১৯, ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

 

তবে মামলা দায়েরের প্রায় ১০ দিন পার হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি কোনো আসামি। স্থানীয়দের অভিযোগ, অর্থসম্পদ ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করছেন।

 

এ বিষয়ে মলয় কুমার বলেন, তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়ার চেষ্টা করছেন।

 

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, মামলার তদন্তভার উপ-পরিদর্শক মোরছালিনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com