• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭
সর্বশেষ :
বেতনা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে দুকূল জুড়ে দর্শকের উপচে ভীড় ‎ দেবহাটার সখিপুরে শিশু যৌন পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সমন্বয় সভা না.গঞ্জ সদরে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ শ্যামনগরে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুতে উত্তাল এলাকা কুশপুত্তলিকা দাহ শ্যামনগরে পাওনা টাকার দাবীতে আপন ভাইয়ের নামে মামলা শ্যামনগরে আসামি কর্তৃক মামলার বাদী শিক্ষিকাকে জীবন নাশের হুমকি, নিরাপত্তা হীনতায় পরিবার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও অর্ধ সমাপ্ত প্রায় ৭ কোটি টাকার পৌর ভবন নির্মাণ প্রকল্প সাতক্ষীরার সেই আলোচিত এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার পুরান ঢাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউশনের ৮১ ব্যাচের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

ঈদকে ঘিরে দেবহাটার দর্জিদের ব্যস্ততা, রাত জেগে চলছে পোশাক তৈরির কাজ

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৩৫০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
Oplus_131072

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা জুড়ে দর্জিদের মধ্যে চলছে ব্যস্ত সময়। বসন্তের হালকা বাতাসকে ছাপিয়ে উপজেলার অলিগলি ও বাজার এলাকায় এখন ভেসে আসছে সেলাই মেশিনের খটখট শব্দ। উৎসবের আনন্দকে নতুন পোশাকে রূপ দিতে স্থানীয় দর্জিরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন।

 

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই উপজেলার বিভিন্ন দর্জিপাড়া ও টেইলার্স দোকানগুলোতে বাড়ছে কাজের চাপ। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ সেলাই করছেন, আবার কেউ পোশাকের শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

উপজেলার ঈদগাহ বাজারের দর্জি আবুল বাশার ও আনোয়ার হোসেনসহ অনেকেই জানান, ঈদ উপলক্ষে পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, শার্ট, ফ্রকসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরির অর্ডার কয়েকগুণ বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্ডার সরবরাহ করতে অনেককেই গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে।

 

দর্জি আবুল বাশার বলেন, “ঈদের আগে কাজের চাপ অনেক বেশি থাকে। এখন প্রতিদিনই গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা সময়মতো তাদের পোশাক পেয়ে যান।”

 

অন্যদিকে ক্রেতারাও পছন্দের ডিজাইন নিয়ে ভিড় করছেন দর্জির দোকানগুলোতে। অনেকেই আগেভাগেই অর্ডার দিয়ে রাখছেন, যাতে ঈদের আগেই নতুন পোশাক হাতে পাওয়া যায়।

 

সব মিলিয়ে ঈদকে ঘিরে দেবহাটা উপজেলার দর্জিপাড়াগুলোতে এখন চলছে কর্মচাঞ্চল্য। সেলাই মেশিনের ছন্দ আর ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। বাজারে যেমন তৈরি পোশাকের ভিড়, তেমনি ফিটিং ও নিজস্ব পছন্দের কারণে দর্জিবাড়িতেও উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

 

তবে উৎসবের এই ব্যস্ততার মাঝেও কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করছে বাড়তি মজুরি। বর্তমানে থ্রি-পিস সেলাই ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শার্ট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং প্যান্ট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় করা হচ্ছে।

 

কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ ক্রেতাদের কণ্ঠে ফুটে উঠছে টানাপোড়েনের সুর। এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, “পোশাকের দাম আর সেলাই মজুরি দুটোই বাড়ছে, কিন্তু আমাদের আয় তো আগের জায়গাতেই রয়েছে।”
তবুও উৎসবের আনন্দকে ঘিরে সাধ্য আর সাধের এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হচ্ছে নতুন পোশাকের আকাঙ্ক্ষারই।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com