• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬
সর্বশেষ :
সম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক, দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা শতবর্ষি কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পর্নে বিভিন্ন মন্দিরে ওসির পরিদর্শন সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি পাটকেলঘাটায় শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ দুই বছর পর সাতক্ষীরায় ৩শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা শুরু শ্যামনগরে পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধ নাইন্টি পাইপ, কৃষিজমি ও বাঁধ নিয়ে শঙ্কা আতঙ্কিত এলাকাবাসী শ্যামনগরে ছেলে ও পৌত্রের শাররীক নির্যাতনে হাসপাতালে ৮০ বছরের বৃদ্ধ

শ্যামনগরে মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর প্রতিনিধি / ১৪৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে শৈলখালী মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার আয়োজিত মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির ওয়ারিশগণ। সোমবার (১৯ মে) শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গোলাম মোস্তফা।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান, আনিসুর রহমান, আসলাম ফারুক বাবলুসহ অন্যান্য ওয়ারিশগণ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী মৌজার এসএ ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ দাগে মোট ১৫ বিঘা জমি সামালী ওরফে সামছুর রহমান ১৯৭৬ সালের ২০ ডিসেম্বর ৫৯১৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে শৈলখালী মৌজার মহমার্থীয়া আলিয়া মাদ্রাসার নামে দান করেন। তবে দলিলে শর্ত ছিল, ওই স্থানে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত না হলে জমি পুনরায় মূল মালিকের খাস দখলে ফিরে যাবে।

 

বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, পরবর্তীতে জমিটি খাস খতিয়ানে চলে যায়। এরপর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ একই নম্বর ব্যবহার করে দাগ বৃদ্ধি দেখিয়ে একটি জাল দলিল সৃষ্টি করে জমি নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করে।

 

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করা হলে ওয়ারিশগণও পাল্টা আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দলিলটিকে জাল প্রমাণিত হওয়ায় মাদ্রাসা পক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

 

এছাড়া খুলনা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করলে সেটেলমেন্ট অফিস ওয়ারিশদের পক্ষে রায় দিয়ে রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশ দেয়। পরে ৪৯ নম্বর দাগে ওয়ারিশগণ রেকর্ড ও প্রিন্ট পর্চা লাভ করেন, যার ভিপি নম্বর ৩০৯৭।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মাদ্রাসা পরিচালনার স্বার্থে সামছুর রহমানের মেজ ছেলে আবুল কালাম আজাদ ভিন্ন দাগে ১ একর জমি দান করেন। বর্তমানে ওই জমিতেই শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অন্যান্য দানকৃত সম্পত্তির ওপর মাদ্রাসার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

ওয়ারিশগণের অভিযোগ, তারা নিয়ম অনুযায়ী মিউটেশন ও প্রিন্ট পর্চা গ্রহণের পর দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু গত ১৮ মে আল মামুনের নেতৃত্বে তাদের ঘেরের বেড়া ভাঙচুর ও মাছ লুট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

 

এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com