• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪
সর্বশেষ :
মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ওসি শাহিদুর রহমানের এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৈনিক সাতক্ষীরা খবর পত্রিকার শুভ উদ্বোধন দেবহাটায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন ২ এর শুভ উদ্বোধন পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন: ইসি’র নতুন রোডম্যাপ ও মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রে*ফ*তারি পরোয়ানা প্রথম আলোর সেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত হ‌লেন ইমতিয়াজ, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন তালায় ডেইরি ব্যবসায়ীকে ধারালো অ*স্ত্র দিয়ে কু*পিয়ে জ*খম, ২৭ হাজার টাকা ছি*নতা*ইয়ের অভিযোগ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে স্ট্রেপ্টোকাইনেজ ইনজেকশন প্রদান কর্মী থেকে উদ্যোক্তা: আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহের সফলতার গল্প

ডুমুরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সেবা পেতে গ্রাহকের ভোগান্তি, ফোনে ধমক দিলেন এজিএম

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি / ১৫৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

আবেদন করার মাসের পর মাস পার হয়ে গেলেও মিলছে না বিদ্যুৎ সংযোগ, উল্টো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মিলছে অবহেলা আর দুর্ব্যবহার। খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের কর্মকর্তাদের খামখেয়ালীপনা ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা।

 

​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৩০ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা নতুন রাস্তা বাজারে ব্যবসার উদ্দেশ্যে শেখ আসাদুজ্জামানের নামে একটি বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ মিটারের সংযোগের জন্য বিধিসম্মতভাবে আবেদন করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মিটার সংযোগে নেওয়া হয়নি কোনো কার্যকর উদ্যোগ।
​

 

ভোগান্তির শিকার গ্রাহক সংযোগের অগ্রগতি জানতে ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের একের পর এক দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যুৎ ইন্সপেক্টরের নিকট অসংখ্যবার ধরণা দিয়েও মেলেনি কোনো সুরাহা। পরবর্তীতে প্রতিকার চেয়ে একাধিকবার ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সংঞ্জয় রায়ের দপ্তরে সশরীরে গিয়েও তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। ফলে কার্যালয়টিতে তদারকির চরম অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

 

​সর্বশেষ, ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম-কম) আব্দুস সালামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ প্রদর্শন করেন। মিটারের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে এজিএম আব্দুস সালাম বলেন, “আমাকে চাপ দিলে আমি আপনার মিটার দিতে পারব না।” এ কথা বলেই তিনি সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

​একজন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক সাধারণ গ্রাহকের সাথে এমন অসংবেদনশীল ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ ব্যবহারে জনমনে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের পর দ্রুত সংযোগ প্রদান করার কথা থাকলেও কতিপয় কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারিতায় ব্যাহত হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য।

 

​এ ব্যাপারে ডুমুরিয়ার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী গ্রাহক অবিলম্বে টিপনা নতুন রাস্তা বাজারের আবেদনকৃত বাণিজ্যিক মিটার সংযোগ ত্বরান্বিত করা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীন আচরণের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com