• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭
সর্বশেষ :
শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেবহাটায় ফেয়ার মিশনের মাদকবিরোধী সাইকেল র‍্যালি, অংশ নিলেন ৬’শ সদস্য ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজনে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি না.গঞ্জের ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজে জাজীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সুন্দরবনে ঘুরতে যেয়ে মিজানুরের ট্রলার থেকে এক পর্যটক নিখোঁজ সুন্দরবনের কু*খ্যা*ত বনদ*স্যু জোনাব বাহিনীর প্রধান জোনাব গ্রে*প্তার আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাতক্ষীরায় মানবতার দৃষ্টান্ত ডা. বলরাম বিশ্বাস, ১০ হাজার প্রতিবন্ধীকে দিয়েছেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকবো: গু*লিতে নি*হ*ত সেনাসদস্যের স্ত্রী মাগুরায় প্রাচীন ঐতিহ্য লাঠি খেলা দেখতে নারী পুরুষের উপচে পড়া ভিড়

বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমারের সেনা-বিজিপির আরও বার সদস্য

প্রতিনিধি: / ১০১৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার অফিস :  বাংলাদেশে আশ্রয় নিলো মিয়ানমারের সেনা-বিজিপির আরও ১২ সদস্য
মিয়ানমার থেকে এসে পড়া গোলার দৃশ্য। ৯ ফেব্রুয়ারি নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের নয়াপড়া সীমান্ত থেকে তোলা। প্রবা

মিয়ানমার থেকে এসে পড়া গোলার দৃশ্য। ৯ ফেব্রুয়ারি নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের নয়াপড়া সীমান্ত থেকে তোলা। প্রবা ফটো মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধের জেরে মিয়ানমারের সেনা ও বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও ১২ সদস্য বাংলাদেশ পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। এ নিয়ে তিন দিনে দেশটির মোট ২৮ সেনা ও বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় ‍নিয়েছেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে নতুন করে ১২ জন পালিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার রেজুপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুইজন এবং জমছড়ি সীমান্ত দিয়ে ১০ জন প্রবেশ করেন। ১২ জনের মধ্যে বিজিপি ও সেনা সদস্য রয়েছে। তবে কোন বাহিনীর কত জন সদস্য তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে। তাদের নাইক্ষ্যংছড়ি সদরে ১১ বিজিবি হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে তিন দিনে বাংলাদেশে নতুন করে ২৮ জন পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। এর মধ্যে সোমবার দুপুরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশফাড়ি সীমান্ত দিয়ে দুই সেনা সদস্য পালিয়ে আসে। এর আগে রবিবার টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে আসে বিজিপির আর ১৪ জন সদস্য।

নতুন করে আসা ২৮ জনই নাইক্ষ্যংছড়ি সদরে ১১ বিজিবি হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওখানে আগে থেকে ১৮০ জন আশ্রয়ে রয়েছে। ফলে সেখানে এখন মিয়ানমারের মোট ২০৮ জন সেনা ও বিজিপি সদস্য রয়েছেন।

আগে থেকে থাকা ১৮০ জনের মধ্যে গত ৩০ মার্চ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তিনজন সদস্য নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। এর আগে ১১ মার্চ আশ্রয় নেন আরও ১৭৭ জন বিজিপি ও সেনাসদস্য।

তারও আগে কয়েক দফায় বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন আরও ৩৩০ জন। যাদের গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ৩৩০ জনকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com