• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৭
সর্বশেষ :
স্বাগতা ক্লিনিকে সিভিল সার্জনের অভিযান: ওটি-প্যাথলজি সিলগালা, ম্যানেজারকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ তালা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অভিযোগ, রোগী দেখাতে এক ঘণ্টা অপেক্ষার দাবি শ্যামনগরে নকশীকাঁথার আয়োজনে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত দেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা প্রদান শ্যামনগরে বুড়িগোয়ালিনী দাতনাখালিতে গাছ থেকে পড়ে ১ ব্যবসায়ীর মৃত্যু দেবহাটার কৃতি শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক সেমিনারে উপস্থাপনের জন্য মনোনীত পাটকেলঘাটায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ধুলিহরে গভীর রাতে টর্নেডোয় মন্দিরসহ একাধিক বসতঘর লন্ডভন্ড আশাশুনির বড়দলে আকস্মিক টর্নেডোয় চারটি কাঁচা ঘর লন্ডভন্ড

আটক ৩৫ সোমালি জলদস্যু এখন ভারতে

প্রতিনিধি: / ৪৯২ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : ভারত বিচারের জন্য আটককৃত ৩৫ সোমালি জলদস্যুকে মুম্বাইতে নিয়ে গেছে। দেশটির নৌবাহিনী একটি ছিনতাইকৃত কার্গো জাহাজ পুনরুদ্ধার এবং বেশ কিছু জিম্মিকে উদ্ধার করার কয়েক দিন পর এ খবর এলো। এদিন পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে স্থানান্তর করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বদানকারী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কলকাতা স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ভোরে ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানীতে নোঙর করেছে। ২০১৭ সালের পর রুয়েনই প্রথম কোনো জাহাজ, যেটি সোমালি জলদস্যুরা সফলভাবে ছিনতাই করতে পেরেছে। আরব সাগরের উত্তরাঞ্চলে সোকোত্রার পূর্বে ডিসেম্বরে মাল্টিজ পতাকাবাহী এমভি রুয়েন ছিনতাইয় করে তারা। ভারতীয় নৌ কমান্ডোরা ১৭ মার্চ সোমালিয়ার উপক‚ল থেকে প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার দূরে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ১৭ জন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করে, যার মধ্যে মিয়ানমারের ৯ জন, বুলগেরিয়ার সাতজন এবং অ্যাঙ্গোলার একজন। গত শনিবার ৪০ ঘণ্টার অভিযানের পর ক্রুদের উদ্ধার করা হয়। নৌবাহিনীর আগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কমান্ডোরা একটি সামরিক সি-১৭ বিমান থেকে প্যারাশুটে করে জাহাজে নামে এবং আক্রমণ চালিয়ে ৩৫ জন জলদস্যুকে আত্মসমর্পণ করতে সফলভাবে বাধ্য করে। বুলগেরীয় জাহাজের মালিক নাভিবুলগার ভারতের এ উদ্ধার অভিযানকে একটি ‘বড় সাফল্য’ বলেছেন। সোমালি জলদস্যুদের আক্রমণের শীর্ষে থাকা ২০১১ সালে নৌবাহিনী জড়িতদের ভারতে নিয়ে বিচার করত ও কারাগারে রাখত। তবে সা¤প্রতিক মাসগুলোতে নৌবাহিনী জাহাজগুলো পুনরুদ্ধার ও ক্রুদের উদ্ধার করার উদ্যোগ লিলেও নিরস্ত্র জলদস্যুদের সমুদ্রে ছেড়ে দিয়েছে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র বিবেক মাধওয়াল এই সপ্তাহে বলেছিলেন, এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো সমুদ্রে আটক জলদস্যুদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য ভারতীয় উপক‚লে আনা হবে। ভারতের জলদস্যুতা বিরোধী আইনের অধীনে পুরুষদের মৃত্যুদÐ হতে পারে, যদি তারা হত্যা বা হত্যার চেষ্টার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়। তবে শুধু জলদস্যুতার জন্য যাবজ্জীবন কারাদÐ হতে পারে। ভারতের নৌবাহিনীর সদস্যদের ২০০৮ সাল থেকে ক্রমাগত সোমালিয়ায় মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু আরব সাগর ও লোহিত সাগরে ইয়েমেনের ইরান সম্পর্কিত হুতি বিদ্রোহীদের সামুদ্রিক হামলার বৃদ্ধির পর গত বছর জলদস্যুতাবিরোধী প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। ভারত ডিসেম্বর থেকে এডেন উপসাগর ও উত্তর আরব সাগরে কমপক্ষে এক ডজন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। এতে তারা লোহিত সাগরের পূর্বে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সহায়তা করতে সক্ষম হয়েছে। জানুয়ারিতে আরব সাগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টার পর নৌবাহিনী লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি বণিক জাহাজ থেকে সব ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করে। ১ ডিসেম্বর থেকে ছিনতাই, ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও সন্দেহজনক পদ্ধতির অন্তত ১৭টি ঘটনা রেকর্ড করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। ইরানের পতাকাবাহী তিনটি মাছ ধরার জাহাজ উদ্ধারের অভিযানসহ এই বছর ভারতের নৌবাহিনী কমপক্ষে ১৮ জন সন্দেহভাজন জলদস্যুকে আটক করেছে। তবে এদের পরিণতি সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ্যে প্রকাশ করা হয়নি। সূত্র : আলজাজিরা


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com