• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭
সর্বশেষ :
দেবহাটায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরের গাবুরায় বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক তালায় মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে পেটাল মাদক কারবারিরা, থানায় জিডি সম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক, দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা শতবর্ষি কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পর্নে বিভিন্ন মন্দিরে ওসির পরিদর্শন সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জি দোকানে

প্রতিনিধি: / ৪২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪

ইমদাদুল হক, ,পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় আসন্ন ঈদুল  ফিতর উপলক্ষে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জির দোকানের কারিগরেরা। নতুন কাপড় তৈরি করতে দর্জি দোকানে ভিড় করছে নানা বয়সি মানুষ। আর বেশি ইনকামের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দর্জি কারিগররা।
ইতিমধ্যে ১২ রমজান শেষ হয়েছে। কাটার মাস্টারের কাঁচি চলছে নতুন কাপড়ের ওপর। সেই কাপড় চলে যাচ্ছে কারখানার কারিগরের হাতে। কারিগরেরা দিনরাত পরিশ্রম করে তৈরী করছেন নতুন পোশাক। বিরামহীন ভাবে চলছে সেলাই যন্ত্রের খটখট শব্দ।
পাইকগাছার বেশকিছু দরজি দোকান ঘুরে দেখা গেছে নারীদের থ্রিপিস, ওয়ান-পিস, শিশুদের ফ্রক, গ্রাউন, পুরুষদের পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগরেরা। উপজেলার অধিকাংশ দর্জি দোকান সকাল ৮টায় খোলা হচ্ছে। কাজ চলছে গভীর রাত এমনকি সারারাত পর্যন্ত।
জানা গেছে, দর্জির দোকানে ডিজাইন অনুযায়ী প্রতি পিস প্যান্ট সেলাই হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা, শার্ট ৩০০-৩৫০ টাকা, মেয়েদের লেহেঙ্গা ৮০০-৯০০ টাকা, থ্রি পিস প্রকারভেদ অনুযায়ী ২৫০-৪০০ টাকা, ব্লাউজ পেটিকোট ২০০-৩০০ টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হয় মজুরি
দর্জির দোকানে আসা পৌরসভার সরল গ্রামের  তপু রায়হান বলেন, ‘রমজানের প্রায় ২ সপ্তাহ হতে যাচ্ছে, আর কিছু দিন পরেই ঈদুল ফিতর। হাতে আর তেমন সময় নেই। বাজারের তৈরি পাঞ্জাবি পছন্দ হয় না। তাই টেইলার্সে পাঞ্জাবি বানাতে এসেছি।
উপজেলার চেচুয়া গ্রামের  পাপিয়া আক্তার  বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে থ্রিপিস সেলাই করতে দরজির দোকানে এসেছি। ঈদের বাকি আর ১৭ দিন । এখন সেলাই করতে না দিলে ঈদের আগে কাপড় দিতে পারবে না। কারণ, ঈদের মুখোমুখি  অনেক ভিড় থাকে দোকানে।
পৌরসভা সদরের কপোতাক্ষ মার্কেটের শরিফ টেইলার্সের লেডিস মাস্টার কাত্তিক চন্দ্র বলেন, ‘গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ঈদের মার্কেট বেশ জমজমাট। তাই আমাদের ব্যস্ততাও বেড়েছে বেশ । আমাদের আয়ের একটা বড় অংশ পাই ঈদ ঘিরে পোশাক তৈরি করে। কিছুদিন পর ঈদ। কয়েক বছর পর ঈদে এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি, এবার ঈদ আমাদের ভালোই কাটবে।
সোনালী মার্কেটের আপন টেইলার্সের কাটিং মাস্টার ফয়সাল আহমেদ বলেন গত কয়েক বছর না এবার অর্ডার ভালো পাচ্ছি  বলেন, ‘গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার অর্ডার ভালো পাচ্ছি। কাজের চাপে অচিরেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করব। প্রতিদিন অনেক কাপড়ের অর্ডার পাচ্ছি। দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে। আশা করছি, গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাব।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com