• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৪
সর্বশেষ :
মনিরামপুরের রাজগঞ্জে ধান বহনের সময় কৃষি শ্রমিকের ম*র্মা*ন্তি*ক মৃ*ত্যু, হিট স্ট্রোকের আশ*ঙ্কা দেবহাটা থানায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্ত দেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দু*র্ভো*গ দেবহাটায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে র‍্যালী ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি বাবলু, সম্পাদক বাবু নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন: আদালত পাড়ায় সাজ সাজ রব শ্যামনগরে পূর্ব শ*ত্রু*তার জের ধরে উভয়ের মধ্যে সং*ঘ*র্ষে আহত ১৪ নেদারল্যান্ডসে ঈদ পুনর্মিলনী ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন: প্রবাসীদের মিলনমেলায় উৎসবের আমেজ শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখার সংবাদ সম্মেলন

এক মাসে ঋণ বিতরণ কমেছে ১০০ কোটি টাকা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে

প্রতিনিধি: / ৩৪০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

অর্থনীতি: চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৭৫৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর আগের মাসে বিতরণ করা হয় ৮৫৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ কমেছে ৯৯ কোটি টাকা। স¤প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে জুলাই মাসে ঋণ বিতরণ করা হয়েছিল ৪৫২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আর আগস্ট মাসে ৮৪৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, সেপ্টেম্বর ৬৭১ কোটি ২০ লাখ টাকা, অক্টোবর ৮০৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা, নভেম্বর ৮৫৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং ডিসেম্বর মাসে ৭৫৫ কোটি ৮২ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক এলাকায় ৫০১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। আর শহরাঞ্চলে ঋণ বিতরণ করা হয় ২৫৪ কোটি টাকা। দেশের ব্যাংক খাতে ২০১৪ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। বিদায়ি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর দেশব্যাপী পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে এরকম এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৭৫৭টি। আর এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট বেড়ে হয় ২১ হাজার ৬০১টি। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিকাশের ধারায় গত এক বছরে আমানত বেড়েছে ৬ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। ২০২২ সালে যার পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। প্রধানত আমানত সংগ্রহের কাজ করে এজেন্ট ব্যাংকিং। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঋণ বিতরণের মতো জনবল ও নিরাপদ ঋণ বিতরণের কাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি। এ কারণে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে আছে এজেন্ট ব্যাংকিং। এজেন্ট ব্যাংকিং হলো প্রযুক্তিনির্ভর ছোট্ট পরিসরে ব্যাংকিং। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এ লেনদেন করছে। যেসব অঞ্চলে অর্থনৈতিক গ্রোথ হচ্ছে কিন্তু ব্যাংকের শাখা নেই, মূলত এখন সেখানেই এই ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিকাশ হচ্ছে।

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com