• শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৮
সর্বশেষ :
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বালুইগাছায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের গলায় দড়ি দিয়ে আ*ত্মহ*ত্যা না.গঞ্জ সদরে ত্রয়োদশ জতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা শ্যামনগরে ৪১বোতল বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরা ডিবির অভিযানে ৪৯৭ বোতল উইন কোরেক্সসহ ২ জন গ্রেফতার আশাশুনির শিশু আলভী ৪ দিন নিখোঁজ সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার তালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট দেবহাটায় বিধবা ও প্রতিবন্ধীর জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীর থানা পুলিশের অভিযানে ৩জন গ্রেফতার

গাজায় চিকিৎসকদের মারধর ও অপমানের অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধি: / ২১৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : ফিলিস্তিনির অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার হাসপাতালে অভিযান চালানোর পর চিকিৎসকদের মারধর ও অপমান করেছে ইসরায়েলি সেনারা। এমন অভিযোগ করেছেন গাজার ফিলিস্তিনি চিকিৎসাকর্মীরা। তারা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেছেন, গত মাসে হাসপাতালে অভিযানের পর ইসরায়েলি সেনারা তাদের চোখ বেঁধে আটকে রেখেছে এবং বারবার মারধর করেছে। গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে বিবিসি। নাসের হাসপাতালের এক ডাক্তার আহমেদ আবু সাভা। তাকে ইসরায়েলি সেনারা এক সপ্তাহ আটকে রেখেছিলেন। বিবিসিকে তিনি সেসময়ের বর্ণনা দেওয়ার সময় বলেন, তার ওপর মাস্ক পড়া কুকুর লেলিয়ে দেওয়া হয় এবং এক ইসরায়েলি সেনা তার একটি হাত ভেঙ্গে দেয়। সাভার দেওয়া এই বর্ণনা অন্য দুই ডাক্তারের দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে সঙ্গে মিলে যায় বলে জানিয়েছে বিবিসি। ওই দুই ডাক্তার ইসরায়েলি সেনাদের রোষানলে পড়ার ভয়ে নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছিলেন। তারা বিবিসিকে বলেছিলেন, তাদের অপমান ও মারধর করার সঙ্গে গায়ে ঠান্ডা পানিও ঢেলে দেয় ইসরায়েলি সেনারা। এমনকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদেরকে অস্বস্তিকর অবস্থায় হাঁটু গেড়ে থাকতে বাধ্যও করা হয়েছিল। তারা আরও জানান, মুক্তির আগে তাদের কয়েকদিন আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের এই অভিযোগের বিবরণ ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ)-কে পাঠিয়েছে বিবিসি। এই অভিযোগ সম্পর্কে করা প্রশ্নের সরাসরি কোনও জবাব দেয়নি বা চিকিৎসকদের সঙ্গে করা দুর্ব্যবহারের দাবি অস্বীকার করেনি আইডিএফ। তবে হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় চিকিৎসাকর্মীদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার করেছে তারা। আইডিএফের দাবি, ‘জিম্মিদের সঙ্গে যে কোনও ধরনের দুর্ব্যবহার আইডিএফ এর আদেশের পরিপন্থি এবং তা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।’


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com