• সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫১
সর্বশেষ :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নগরঘাটায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে যৌথ বাহিনী শ্যামনগরের ইয়াছিন গাইনকে ফাঁসাতে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ মন্দির থেকে চুরি হওয়া মূর্তি উদ্ধার করল থানা পুলিশ মাঠজুড়ে যেন বিছানো রয়েছে হলুদ গালিচা দেবহাটায় জাতীয় সমাজসেবা দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরায় বিএনপি জামায়াতের সকল প্রার্থীসহ ১৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ মনোনয়ন বাতিল হলে যেভাবে করতে হয় আপিল দেবহাটায় ওসির উদ্যোগে পুলিশ সদস্য সমীর ঘোষের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান স্বামীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জাতীয় পার্টি নেতা বাপ্পির মা

মাইকিং করে নিষিদ্ধ শাপলাপাতা  মাছ বিক্রি, মাছ ব্যবসায়ি আটক

প্রতিনিধি: / ৪১০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সৈয়দ শওকত হোসেন, বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মাইকিং করে নিষিদ্ধ সামুদ্রিক শাপলাপাতা মাছ বিক্রির অপরাধে মো. রুবেল হাওলাদার নামের এক মাছ ব্যবসায়িকে আটক করেছে বন বিভাগ। রবিবার সকালে উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারের প্রশাসন মার্কেটে থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় প্রায় ২০ কেজি শাপলাপাতা মাছ জব্দ করেন তারা। আটক রুবেল উপজেলার ছোটনলবুনিয়া গ্রামের রুস্তুম হাওরাদারের ছেলে।
সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) শেখ মাহাবুব হাসান জানান, শাপলাপাতা (স্টিংরে) একটি বিপন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী। এটি শিকার বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মাইকিং করে এই শাপলাপাতা মাছ বিক্রির খবর পেয়ে বনরক্ষীদের একটি দল রায়েন্দা বাজারের প্রশাসন মার্কেটে অভিযান চালিয়ে মাছ বিক্রেতা মো. রুবেল হাওলাদারকে (৩৫) আটক করে । এসময় ঘটনাস্থল থেকে বিক্রির জন্য রাখা আনুমানিক ২০ কেজি শাপলাপাতা জব্দ করা হয়। আটককৃত রুবেল উপজেলার ছোটনলবুনিয়া গ্রামের রুস্তুম হাওরাদারের ছেলে। এব্যপারে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষন ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃত রুবেল হাওলাদার জানান, তিনি জানতেন না যে শাপলাপাতা মাছ বিক্রি নিষিদ্ধ। আমাদের এলাকায় আনেক আগে থেকে ওই মাছ বিক্রি হতো বলে আমি বাগেরহাট মৎস্য আড়ৎ থেকে পাইকারি দরে কিনে এনেছিলাম।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এস এম রাসেল সাংবাদিকদের  বলেন, ডলফিন ও শাপলাপাতা হচ্ছে জীববৈচিত্রের একটি অংশ। এটি শিকার করা বন বিভাগ আইন ধারা নিষিদ্ধ করেছে। জনগনের মধ্যে তেমন প্রচারনা না থাকায় মাছ হিসেবে উপকুলীয় এলাকায় প্রায়ই তা বিক্রি হতে দেখা যায়। একারনে এ প্রাণীটি এখন মহাবিপন্ন হয়ে পড়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com