• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৬
সর্বশেষ :
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল সুন্দরবনে আবারো মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে বনদ*স্যুদের দৌ*রাত্ম্য, ভয়ে জীবিকা হারাচ্ছেন জেলে বাওয়ালিরা ঘূ*র্ণিঝ*ড়ে প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘর ল*ণ্ড*ভণ্ড দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা ক্লাস্টার কমিটি, শিক্ষা কর্মকর্তা ও রিডিং ক্যাম্পের সাথে সমন্বয় সভা শ্যামনগরে দেশীয় অ*স্ত্রের আ*ঘা*তে র*ক্তা*ক্ত জ*খ*ম -১ রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গু*লিতে আ*হত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃ*ত্যু শ্যামনগরে পেট্রোল প্যাম্পগুলোতে প্রশাসনের মনিটরিং অভিযান কালিগঞ্জে সাংবাদিক সমিতি আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিওর ক্রপস লিমিটেডের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও কুরআনের পাখিদের মধ্যে পোষাক বিতরণ

মোরেলগঞ্জের একটি ইউনিয়নে জেলেদের চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধি: / ২৪৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খাউলিয়া ইউনিয়নে জেলেদের
চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগে সুবিধা বঞ্চিতদের হট্টগোলে ৩ ঘন্টা
বিতরন বন্ধ। চাল না পেয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসে অর্ধশত জেলেদের অবস্থান।
জানা গেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নে জাটকা আহরনে বিরত থাকা জেলেদের
খাদ্য সহয়তা মার্চ মাসের জন প্রতি ৪০ কেজি চাল বৃহস্পতিবার সকালে ৫১৯ জন
সুবিধাভোগীর মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরন শুরু করেন সংশ্লীষ্ট ইউপি
চেয়ারম্যান মাষ্টার সাইদুর রহমান। এ সময় তালিকা থেকে বাদ পড়া, বঞ্চিত অনেক
জেলে ওই ইউনিয়নের পুরাতণ পরিষদ ভবনের সামনেই বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে
সুবিধা বঞ্চিতদের হট্টগোলে চাল বিতরন স্থগীত করে দেয় চেয়ারম্যান।
পরবর্তীতে মধ্য বরিশাল, ফাসিয়াতলা, পশ্চিম বরিশাল ও পূর্ব বরিশাল গ্রামের অর্ধ
শতাধীক সুবিধা বঞ্চিত নারী-পুরুষ উপজেলা মৎস্য অফিসে অবস্থান নিয়ে মৎস্য
কর্মকতা বিনয় কুমার রায়ের নিকট অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তারা দাবী
করেন, সাগরে মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করি, জাটকা আহরনে বিরত থাকায় সরকার
বছরে ৪ মাস খাদ্য সহয়তা দিয়ে আসছেন অসহায় জেলেদের। আমরা নিবন্ধিকৃত ও
তালিকাভুক্ত প্রকৃত জেলে হওয়া স্বত্তেও চাল বিতরনে চেয়ারম্যান তাদের নাম বাদ
দিয়ে চাল দেয় নি। তারা এ ঘটনার বিষয় তদন্ত পূর্বক বিচার ও তাদের প্রাপ্য চাল
পাওয়ার দাবী জানান।
এ দিকে সকাল থেকে শত শত জেলে চাল নিতে আসলেও অনেককে খালি হাতে ফিরে
যেতে হয়েছে। চেয়ারম্যান চাল বিতরন ১১টার দিকে বন্ধ করলেও ৩ ঘন্টা পর পুনরায়
ওই তালিকায় চাল বিতরন শুরু করেন। স্থানীয় সুবিধাভোগী কুমারখালী গ্রামের
আব্দুস সত্তার গাজী, ছাইদুল শিকদার, কাঞ্চন শিকদার, ফাসিয়াতলা গ্রামের
মজিবর শেখ, তাছলিমা বেগম, শাহনাজ বেগম, রেখা খানম, পূর্ব বরিশাল গ্রামের
আনোয়ার শিকদার, মাধ্য বরিশাল গ্রামের বারেক হাওলাদার, পূর্ব আমতলী গ্রামের
সজিব শিকদার, মাসুদ আকনসহ একাধীকরা অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৮টায় চাল
নিতে এসে বসে রয়েছি। ১১টার পরে চেয়ারম্যান হঠাৎ চাল বন্ধ করে দিয়েছেন। চাল
পাবো ৪০ কেজি, দিচ্ছেন ৩০ কেজির ১ বস্তা। বিশেষ ব্যক্তিদের সুপারীশে পরে
এসেও চাল নিয়ে গেছে অনেকেই, এ পেশার সাথে জড়িত নয়, আবার তালিকায়ও
নাম নেই এমন পান বিক্রেতাও পেয়েছেন ৩০ কেজির ১ বস্তা চাল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com