• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫১
সর্বশেষ :
ধানদিয়ায় ৫০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে মাসিক উপবৃত্তি প্রদান কয়রায় নৌ-বাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ ফয়জুল্যাপুরে দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন সখিপুর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সনদ প্রাপ্তি দেবহাটায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালী, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবে আমতলায় নতুন বছর বরণ: ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর গার্লস স্কুলে প্রাণের মেলা না.গঞ্জ সদরে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মাঝে খাদা সামগ্রী বিতরণ ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সুন্দরবনে গভীরে মধু আহরণ করতে যেয়ে ঝড়ের কবলে হারিয়ে যাওয়া ৪ মৌয়াল উদ্ধার সাংবাদিক ও সংগঠক জাহাঙ্গীর হোসেনের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

মোরেলগঞ্জের একটি ইউনিয়নে জেলেদের চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধি: / ২৬৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খাউলিয়া ইউনিয়নে জেলেদের
চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগে সুবিধা বঞ্চিতদের হট্টগোলে ৩ ঘন্টা
বিতরন বন্ধ। চাল না পেয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসে অর্ধশত জেলেদের অবস্থান।
জানা গেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নে জাটকা আহরনে বিরত থাকা জেলেদের
খাদ্য সহয়তা মার্চ মাসের জন প্রতি ৪০ কেজি চাল বৃহস্পতিবার সকালে ৫১৯ জন
সুবিধাভোগীর মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরন শুরু করেন সংশ্লীষ্ট ইউপি
চেয়ারম্যান মাষ্টার সাইদুর রহমান। এ সময় তালিকা থেকে বাদ পড়া, বঞ্চিত অনেক
জেলে ওই ইউনিয়নের পুরাতণ পরিষদ ভবনের সামনেই বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে
সুবিধা বঞ্চিতদের হট্টগোলে চাল বিতরন স্থগীত করে দেয় চেয়ারম্যান।
পরবর্তীতে মধ্য বরিশাল, ফাসিয়াতলা, পশ্চিম বরিশাল ও পূর্ব বরিশাল গ্রামের অর্ধ
শতাধীক সুবিধা বঞ্চিত নারী-পুরুষ উপজেলা মৎস্য অফিসে অবস্থান নিয়ে মৎস্য
কর্মকতা বিনয় কুমার রায়ের নিকট অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তারা দাবী
করেন, সাগরে মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করি, জাটকা আহরনে বিরত থাকায় সরকার
বছরে ৪ মাস খাদ্য সহয়তা দিয়ে আসছেন অসহায় জেলেদের। আমরা নিবন্ধিকৃত ও
তালিকাভুক্ত প্রকৃত জেলে হওয়া স্বত্তেও চাল বিতরনে চেয়ারম্যান তাদের নাম বাদ
দিয়ে চাল দেয় নি। তারা এ ঘটনার বিষয় তদন্ত পূর্বক বিচার ও তাদের প্রাপ্য চাল
পাওয়ার দাবী জানান।
এ দিকে সকাল থেকে শত শত জেলে চাল নিতে আসলেও অনেককে খালি হাতে ফিরে
যেতে হয়েছে। চেয়ারম্যান চাল বিতরন ১১টার দিকে বন্ধ করলেও ৩ ঘন্টা পর পুনরায়
ওই তালিকায় চাল বিতরন শুরু করেন। স্থানীয় সুবিধাভোগী কুমারখালী গ্রামের
আব্দুস সত্তার গাজী, ছাইদুল শিকদার, কাঞ্চন শিকদার, ফাসিয়াতলা গ্রামের
মজিবর শেখ, তাছলিমা বেগম, শাহনাজ বেগম, রেখা খানম, পূর্ব বরিশাল গ্রামের
আনোয়ার শিকদার, মাধ্য বরিশাল গ্রামের বারেক হাওলাদার, পূর্ব আমতলী গ্রামের
সজিব শিকদার, মাসুদ আকনসহ একাধীকরা অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৮টায় চাল
নিতে এসে বসে রয়েছি। ১১টার পরে চেয়ারম্যান হঠাৎ চাল বন্ধ করে দিয়েছেন। চাল
পাবো ৪০ কেজি, দিচ্ছেন ৩০ কেজির ১ বস্তা। বিশেষ ব্যক্তিদের সুপারীশে পরে
এসেও চাল নিয়ে গেছে অনেকেই, এ পেশার সাথে জড়িত নয়, আবার তালিকায়ও
নাম নেই এমন পান বিক্রেতাও পেয়েছেন ৩০ কেজির ১ বস্তা চাল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com