• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯
সর্বশেষ :
সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার ‎পাইকগাছায় কাজের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় পাড়ি জমাচ্ছে তালায় ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলার আসর, চ্যাম্পিয়নদের জন্য গরু ও ফ্রিজ পুরস্কার তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে সভা দেবহাটায় ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণা উদ্বোধন ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা, শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ ধানদিয়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ,১৮ পূজামণ্ডপে অনুদান

ইন্দুরকানীর ৩ যুবককে চোর সন্দেহে আটক করে মোড়েলগঞ্জে নির্যাতন করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানবন্ধন

প্রতিনিধি: / ৪৫২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ ইন্দুরকানীর ৩ যুবককে মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাংঙ্গায় চোর
সন্দেহে আটক করে অমানষিক নির্যাতন ও পুলিশে দেয়ার প্রতিবাদে মানবন্ধন
করেছে এলাকাবাসী । জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বালিপাড়া
গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার ফকিরের ছেলে মানষিক প্রতিবন্ধী ছেলে আনোয়ার
ফকির (৩৭) ও তার ছেলে সাইমুন ফকির (১২) এবং ভবানীপুর গ্রামের লতিফ ঘরামীর
ছেলে ছগির ঘরামী (৩৬) বাগেরহাটে ভাঙ্গারীর মালামাল মহাজন বাদশা সিকদারের
কাছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা পায়ে হেটে হেটে বাড়িতে ফিরছিলেন। গভীর
রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাংঙ্গা আসলে কতিপয় লোকজন তাদের
গরুচোর সন্দেহ করে অমানষিক নির্যাতন করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ
তাদেরকে ইউনিয়নে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে রোববার গুরুচুরির
মামলায় আদালতে প্রেরণ করে।
অপরদিকে এলাকাবাসী তাদেরকে ছাড়িয়ে আনতে না পেরে অন্যায় ভাবে
তাদেরকে আটক করে নির্যাতন ও পুলিশে দেয়ার প্রতিবাদে ইন্দুরকানীতে মানববন্ধন
করেন। রোববার আনোয়ারের নিজ গ্রামের বাসিন্দারা ইন্দুরকানী-বালিপাড়া সড়কে
দুই শতাধিক মানুষ তাদের পক্ষে ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন বালিপাড়া ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বীর
মুক্তিযোদ্ধা আঃ রশিদ চৌকিদার, আঃ জলিল শেখ, সমাজসেবক আবু ছিদ্দিক
হাওলাদার, আঃ লতিফ হাওলাদার। এসময় বক্তরা বলেন, আনোয়ার, ছগির ও সাইমুন তারা
ভালো মানুষ। তারা গরীব হলেও কখনও কারও কোন মালামাল চুরি করেনি। তারা নির্দোষ,
তাদেরকে অন্যায় ভাবে আটক করে নির্যাতন করে পুলিশে দেয়া হয়েছে। যারা তাদের
সাথে এমন আচরণ করেছে তাদের শাস্তি দাবি করেন এবং আনোয়র সহ আটককৃত
তিনজনের মুক্তি দাবি করেন। বক্তারা ও এলাকাবাসী জানান, আনোয়ার ও ছগির
দুইজনেরই মানষিক সমস্যা রয়েছে। তারা বছরে দুই একবার অসুস্থ হয়ে মানষিক
ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। তবে কখনও কারও কোন ক্ষতি করে না।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com