• মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০২:২২
সর্বশেষ :
ডুমুরিয়ায় গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা নিলেন ইউএনও সবিতা সরকার শ্যামনগরে মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁ*স দিয়ে শিশুর মৃ*ত্যু পাইকগাছায় গ*ণপি*টুনিতে যুবক নি*হত, হা*মলা-ভাঙচুর ও অ*গ্নিসং*যোগের অভিযোগ পাটকেলঘাটার লোকনাথ ক্লিনিকে প্রসূতির মৃ*ত্যু ‎‎পাইকগাছায় কাঁঠালের বাম্পার ফলন তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিডাব্লিউবি কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ স্বপ্নের কফিন কাঁধে স্বজনদের আহাজারি: লেবাননে নি*হত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসীর বাড়িতে শোকের মাতম রামিসা ধ*র্ষ*ণ ও হ*ত্যা মা*মলায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁ*সি নওয়াপাড়ায় ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ইন্দুরকানীর ৩ যুবককে চোর সন্দেহে আটক করে মোড়েলগঞ্জে নির্যাতন করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানবন্ধন

প্রতিনিধি: / ৩৩০ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ ইন্দুরকানীর ৩ যুবককে মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাংঙ্গায় চোর
সন্দেহে আটক করে অমানষিক নির্যাতন ও পুলিশে দেয়ার প্রতিবাদে মানবন্ধন
করেছে এলাকাবাসী । জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বালিপাড়া
গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার ফকিরের ছেলে মানষিক প্রতিবন্ধী ছেলে আনোয়ার
ফকির (৩৭) ও তার ছেলে সাইমুন ফকির (১২) এবং ভবানীপুর গ্রামের লতিফ ঘরামীর
ছেলে ছগির ঘরামী (৩৬) বাগেরহাটে ভাঙ্গারীর মালামাল মহাজন বাদশা সিকদারের
কাছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা পায়ে হেটে হেটে বাড়িতে ফিরছিলেন। গভীর
রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাংঙ্গা আসলে কতিপয় লোকজন তাদের
গরুচোর সন্দেহ করে অমানষিক নির্যাতন করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ
তাদেরকে ইউনিয়নে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে রোববার গুরুচুরির
মামলায় আদালতে প্রেরণ করে।
অপরদিকে এলাকাবাসী তাদেরকে ছাড়িয়ে আনতে না পেরে অন্যায় ভাবে
তাদেরকে আটক করে নির্যাতন ও পুলিশে দেয়ার প্রতিবাদে ইন্দুরকানীতে মানববন্ধন
করেন। রোববার আনোয়ারের নিজ গ্রামের বাসিন্দারা ইন্দুরকানী-বালিপাড়া সড়কে
দুই শতাধিক মানুষ তাদের পক্ষে ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন বালিপাড়া ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বীর
মুক্তিযোদ্ধা আঃ রশিদ চৌকিদার, আঃ জলিল শেখ, সমাজসেবক আবু ছিদ্দিক
হাওলাদার, আঃ লতিফ হাওলাদার। এসময় বক্তরা বলেন, আনোয়ার, ছগির ও সাইমুন তারা
ভালো মানুষ। তারা গরীব হলেও কখনও কারও কোন মালামাল চুরি করেনি। তারা নির্দোষ,
তাদেরকে অন্যায় ভাবে আটক করে নির্যাতন করে পুলিশে দেয়া হয়েছে। যারা তাদের
সাথে এমন আচরণ করেছে তাদের শাস্তি দাবি করেন এবং আনোয়র সহ আটককৃত
তিনজনের মুক্তি দাবি করেন। বক্তারা ও এলাকাবাসী জানান, আনোয়ার ও ছগির
দুইজনেরই মানষিক সমস্যা রয়েছে। তারা বছরে দুই একবার অসুস্থ হয়ে মানষিক
ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। তবে কখনও কারও কোন ক্ষতি করে না।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com