• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫১
সর্বশেষ :
এ্যাডামস প্রকল্প কার্যক্রমের আলোচনা সভা ও আর্সেনিক বিমুক্তকরণ ফিল্টারের উদ্বোধন ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা নেদারল্যান্ডসে ঈদ পুনর্মিলনী ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন: প্রবাসীদের মিলনমেলায় উৎসবের আমেজ শ্যামনগরে দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় সম্পত্তিতে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এডভোকেসী সভা তালায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফল করতে মতবিনিময় সভা দেবহাটার নওয়াপাড়ায় ৫৭০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিডব্লিউ চাল বিতরণ ধানদিয়ায় ৫০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে মাসিক উপবৃত্তি প্রদান কয়রায় নৌ-বাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ ফয়জুল্যাপুরে দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন

১৯৭১ সালে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন ভারত খুঁজে পেল

প্রতিনিধি: / ২৯৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জলযান ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই ওই সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ মিলেছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে ছিল মার্কিন নৌবহরের অংশ। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার করা হত। পরে সেটি পাকিস্তানের নৌবাহিনীকে দিয়েছিল আমেরিকা। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের ১১ জন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপক‚লের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিন পাঠানো হয়েছিল। এ ছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামক রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com