• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০০
সর্বশেষ :
শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের শো’ডাউন, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্রহ্মরাজপুর বাজারের মাসুম টি স্টোরে অগ্নিকান্ড নিরাপত্তার চাদরে সাতক্ষীরার ৬০৯ ভোটকেন্দ্র: মাঠে থাকবে ৭৯১ সাংবাদিক মায়ের কোলে শিশুরা যেভাবে নিরাপত্তায় থাকে হিন্দু ভাইয়েরা তেমনই থাকবেন : অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ রঙধনু কর্পোরেশনের উদ্যোগে ৫০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে মাসিক ভাতা প্রদান তালায় মাদকাস*ক্ত যুবকের হাতে কলেজ শিক্ষক ও শিশুকন্যা হা*মলা ও ছিনতাইয়ের শি*কার তালায় শিক্ষক হিরন্ময়ের ওপর হা*মলাকারী আটক, খোঁজ নিলেন বিএনপি প্রার্থী হাবিব ধর্মব্যবসায়ীদের বিভ্রান্তি জনগণ আর মেনে নেবে না ড. মনিরুজ্জামান মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর সেবক হিসেবে আজীবন পাশে থাকতে চাই : আলি আসগার লবি

তাসনিয়া কলকাতায় এসে অবাক উপহার পেলেন

প্রতিনিধি: / ২৫৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪

বিনোদন: গেল শুক্রবার তাসনিয়া ফারিণের হাতে উঠেছে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড। কলকাতায় অন্যান্য বিজয়ীর সঙ্গে তাঁর হাতেও তুলে দেওয়া হয় এটি। অতনু ঘোষ পরিচালিত ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমার জন্য সেরা নবাগতা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। পুরস্কার পেয়ে দারুণ উচ্ছ¡সিত তাসনিয়া ফারিণ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানিয়েছেন তাঁর ভালো লাগার কথা। পুরস্কার নিতে কলকাতায় গেলেও এখনো সেখানেই রয়েছেন এই অভিনেত্রী। সেখান থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে একটা ভিডিও পোস্ট করেছেন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে। এক মিনিট এক সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একজন উবারচালকের সঙ্গে কথা বলছেন ফারিণ। জানতে চাইছেন তাঁর মেয়ের নাম কী? উবারচালক জানাচ্ছেন ‘তাসনিয়া ফারিণ’। তাঁদের আলাপে জানা যায়, উবারচালকের ক্লাস থ্রিতে পড়ুয়া মেয়েটির বয়স সাড়ে আট বছর। শুরুতে তার নাম রাখা হয় রাফিয়া সুলতানা। বাবার নাম রাকিবের সঙ্গে মিল রেখেই এই নাম রাখা হয়। এই নামেই বড় হতে থাকে মেয়ে। কিন্তু পরে তাসনিয়া ফারিণের ভক্ত হয়ে যান বাবা রাকিব। তাঁর অভিনীত সব নাটক দেখেন নিয়মিত। জানায়, এ কারণে মেয়েটির নাম বদলে তাসনিয়া ফারিণ রাখেন তিনি। কথা প্রসঙ্গে উবারচালক রাকিব জানান, অপূর্বর সঙ্গে ফারিণের অভিনয় সবচেয়ে ভালো লাগে তাঁর। ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের পরে ভক্তের কাছ থেকে এমন পুরস্কার পেয়ে আপ্লæত ফারিণ। ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘থ্যাংক ইউ ফর অলওয়েস লাভিং মি!’ ভিডিওর সূত্র ধরে কালের কণ্ঠ’র কথা হয় ফারিণের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি কলকাতায় এসে যে হোটেলে উঠেছি সেখান থেকে বাইরে যাওয়ার সময় তাকে পাই। ওনার গাড়িতে করেই সারা দিন ঘুরছি। ওনার মেয়ের নাম বদলের ঘটনা শুনে ভালো লাগছে। এসব ঘটনা ভালো কাজের আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।’


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com