• বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬
সর্বশেষ :
খুলনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ভোট গ্রহন ৫ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরে বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে ছেলের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আল ফেরদৌস আলফা দেবহাটার কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শ্যামনগর নুরনগর দাসকাটিতে গ্রাম্য পাইলস ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃ*ত্যু পাঠকের আস্থা হারালে সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে: কে এম রেজাউল করিম শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ: সংঘ*র্ষে আহত ৫

শ্যামনগরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে মানববন্ধন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৫১০ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
শ্যামনগরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার পৌরসভার চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকার বাণিজ্য ও আত্মসাৎ অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা ১১ টায় চিংড়িখালি মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতনের সামনে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন এর প্রধান শিক্ষক স্বৈরাচারী, দুর্নীতিবাজ জয়দেব বিশ্বাস প্রতিষ্ঠানে সীমাহীন অর্থ বাণিজ্য ও দুর্নীতির প্রতিবাদে পদত্যাগসহ স্বচ্ছ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে মানববন্ধন করে। শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসী আয়জনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতনের ইসলাম শিক্ষ্যার শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, শিক্ষক গোবিন্দ কুমার মন্ডল, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুধন্য কুমার মন্ডল, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শুব্রত কুমার মন্ডল,স্থানীয় অভিভাবক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
শিক্ষক যোগেশচন্দ্র মন্ডল বলেন, আমার ছেলে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে। প্রথমে নৈশ প্রহরী নিয়োগ দেওয়ার জন্য ৪ লক্ষ টাকা দিতে হয় পরে বন্ধ হয়েগেলে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন সৃষ্ট পদে বডিগার্ড পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আবার ১১ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে।
চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শুব্রত কুমার মন্ডল বলেন, আমি অনার্স মাস্টার্স নিবন্ধন পাস তারপরেও আমি পরিচ্ছন্ন কর্মী। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির অভাবে যখন ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছি তখন দেখতে পাই চিংড়াখালী বিদ্যানিকেতনে সার্কুলার দিয়েছে আমি তখন প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করি তিনি আমাকে আবেদন করতে বলেন এবং আমি আমার মেধা যোগ্যতা দিয়ে চাকরিটা পায়।
চাকরি পাওয়ার পরে তিনি আমাকে বলেন স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আমাকে টাকা দিতে হবে।
বাধ্য হয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে সুদের টাকা সংগ্রহ করে ১২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নেয়। তিনি আমার সার্টিফিকেট গুলো দেখে উচ্চ পদে চাকরি দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রলোভন দেখায়। আমি প্রতিষ্ঠানে আমার কাজে কোন অনিহা প্রকাশ করি না তারপরও তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
শিক্ষকরা জানান বিভিন্ন বিষয় অভিযোগ তুলে থানা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি ২০ জন শিক্ষক ও কর্মচারীরা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com