• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:১৯
সর্বশেষ :
নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ১৭তম ও ১৮তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দুলাভাই বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি দেবহাটায় দুই দিনব্যাপী ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গঠন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে গাছগাছালি কর্তন ও দখলের চেষ্টা, আদালতে মামলা বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ডুমুরিয়ায় থানার পাশের ডাকবাংলো এখন ‘ভূতুড়ে বাড়ি’ ধুলিহর শতবর্ষী আছিয়া বেগমের পাশে সদর প্রশাসন,খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন সংবাদকর্মীরা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্ত সংস্কারের অভাবে মরণফাঁদে শাহাপুর-দৌলতপুর সড়ক, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ বিশ্বকাপে মেসির ১৭তম গোল, এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

ফকরাবাদ হাফিজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো / ২১৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ হাফিজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাদ্রাসার দুইজন শিক্ষক ও ৩৮ জন শিক্ষার্থী সহ মোট ৪০ জনের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করেন।

 

কম্বল বিতরণকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) বিএম আলাউদ্দীন, ক্লাবের সদস্য ও ফকরাবাদ ঈদগাহ কমিটির সভাপতি এস এম শরিফুল ইসলাম শরীফ, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ মফিজুল ইসলাম ও মাওঃ মারুফ বিল্লাহ, প্রতিষ্ঠানের কার্যকারী সদস্য মিত্র তেতুলিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এস এম আবু ছাদেক, সদস্য শিক্ষক এস এম মুরশিদ আলম, জাহিদ আলী সরদার, মাওঃ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ্ব হাসমত গাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য উক্ত হাফিজিয়া মাদ্রাসাটি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে হাটি হাটি পা পা করে ১৭টি বছর সুনামের সহিত অতিক্রম করেছে। বর্তমান মাদ্রাসাটিতে ৩৮ জন ছাত্র লেখাপড়ায় নিয়োজিত আছেন। এরমধ্যে বেশ কিছু ছাত্র এতিম রয়েছে। এই পর্যন্ত ৪৩ জন ছাত্র কুরআনের হাফেজ হয়ে বের হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানটি লেখাপড়ার মান অত্যন্ত ভালো কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোন অনুদান পাইনি সে কারণে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের। তাই মাদ্রাসাটি পরিচালনার জন্য সরকারি বেসরকারি সংস্থা সহ অর্থশালী ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবক সহ ছাত্রবৃন্দ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com