• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৭
সর্বশেষ :
দেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা শ্যামনগরে আর্থ সামাজিক সমৃদ্ধির সাহসী নায়ক নারী চন্দনা রানী সাহস আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল ঘোষণা পাইকগাছায় কোটি টাকার সরকারি খাসজমি দখল করে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ তালায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত দেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা তালায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীর দাফন, হ*ত্যার অভিযোগে মামলা স্বামীর নীরব ত্যাগ কতটা মূল্যায়িত হয়? দাম্পত্যে সম্মান ও ভালোবাসার প্রশ্ন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, খুনিদের ফাঁসির দাবি

দেবহাটায় প্রায় ৪শত বছরের ঐতিহ্য বনবিবির বটতলা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৬০৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

অপরূপ সৌন্দর্য্যে ভরা সাতক্ষীরা। এমন সুনিবিড়, মায়াভরা শহর আর কোথায় আছে কী? সাতক্ষীরা শহর হতে মাত্র ২৫ কিলোমিটার গেলে দেবহাটা উপজেলা সদর। সেখানে রয়েছে হৃদয় ছোঁয়া ৪শত বছরের এক বট গাছ। “বনবিবি বটতলা” নামে পরিচিত এই ঐতিহাসিক স্থান। প্রায় ৩.৫ একর জমির উপর বিস্তৃর্ণ এই বটতলা। বটগাছের শাখা প্রশাখা থেকে মাটির সাথে শিকড় তৈরি করে এটি বিশাল আকার লাভ করেছে। বহু পুরাতন এই বটতলায় সাধু ও ঋষিদের ধ্যানের স্থান ছিল। এখানে বিভিন্ন দেবদেবীদের পুজা অর্চনা করা হত। বর্তমানে এখানে আর সাধু ঋষিদের ধ্যান করতে দেখা যায় না, তবে বিনোদনের জন্য অনেক নারী পুরুষ এখানে ভীড় জমায়।

 

  • উপজেলা পরিষদ থেকে স্থানটি মাত্র কয়েক মিনিটের পথ।বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানটির চারপাশে এখন বসতি গড়ে উঠেছে। তাই ধীরে ধীরে এই বটতলাটি তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু উপজেলার ঐতিহ্যটি সে আজও ধরে রেখেছে।

 

 

ঐতিহাসিক এই বটতলায় প্রিয় জনকে সাথে নিয়ে অনেক মানুষ আজও বেড়াতে আসে। ছায়া সুনিবিড়, পাখির কুজন মুখরিত, শ্যামনয়নাভিরাম এই স্থানটিতে অবসর দিনের কিছুটা সময় এখানে বসে থাকলে মনের সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। মনটা সতেজ হয়ে ওঠে। প্রকৃতিকর অপূর্ব দৃশ্য দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে এবং এখান থেকে উপজেলা পরিষদের একটি রাজস্ব আয়ের সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

সপ্তাহের ছুটির দিনে মনের ক্লান্তিগুলো দূর করার জন্য এবং প্রকৃতির সবুজ স্পর্শ পাওয়ার জন্য প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে সবুজে ঘেরা পাখির কুজন মুখরিত নয়নাভিরাম এই পর্যটন কেন্দ্রটিতে বসে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com