• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬
সর্বশেষ :
খুলনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ভোট গ্রহন ৫ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরে বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে ছেলের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আল ফেরদৌস আলফা দেবহাটার কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শ্যামনগর নুরনগর দাসকাটিতে গ্রাম্য পাইলস ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃ*ত্যু পাঠকের আস্থা হারালে সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে: কে এম রেজাউল করিম শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ: সংঘ*র্ষে আহত ৫

কাদা-পানিতে চলাচলে ভোগান্তি, বিদ্যালয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য

মো: আলাউদ্দিন, কৃষ্ণনগর, কালিগঞ্জ প্রতিনিধি / ২৮২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মাহবুব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিশু হেঁটে আসে স্কুলে। এই রাস্তা দিয়েই স্থানীয় হাইস্কুল, মাদ্রাসা আর গার্লস স্কুলের শিক্ষার্থীরাও যাতায়াত করে। আবার ব্যবসায়ীরাও কৃষ্ণনগর ও নয়াবেকী বাজারের মধ্যে আসা–যাওয়া করেন।

 

কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ এই মেইন সড়কের স্কুলের সামনের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ বছরের পর বছর ধরে কাঁচা পড়ে আছে। চারপাশের রাস্তা কার্পেটিং হলেও স্কুলের মুখের এইটুকু অংশ যেন উপেক্ষিতই থেকে গেছে।

 

শুকনো মৌসুমে কোনো রকমে চলা যায় কিন্তু বর্ষা এলেই রাস্তায় জমে যায় হাঁটু–কাদা। তখন বই–খাতা হাতে কাদার মধ্যে দিয়েই যেতে হয় শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় ছোট ছোট পা পিছলে পড়ে, ভিজে জামাকাপড়ে ক্লাস করে তারা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগ চোখের সামনে দেখি। খুব কষ্ট লাগে, কিন্তু কিছুই করার নেই। আরেক শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, বর্ষায় শিশু শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পানি কাদায় ভিজে ক্লাসে আসে। অসুখ–বিসুখও হয়।

 

আরো পড়ুন :- অসহায়দের মাঝে ভ্যান ও টিনসহ অনুদান প্রদান করলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক

 

প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মা জানান, মেয়ে কাদার ভয়ে স্কুলেই যেতে চায় না। কখনো কোলে, কখনো কাঁধে করে স্কুলে নিয়ে যাই। একাধিক অভিভাবক বলেন, বৃষ্টির দিনে এই রাস্তায় সন্তানকে স্কুলে পাঠানো মানেই চিন্তা আর বিড়ম্বনা।

 

শুধু শিক্ষার্থী নয়, এই রাস্তা ব্যবহার করেন কৃষ্ণনগর ও নয়াবেকী বাজারের ব্যবসায়ীরাও। কাঁচা রাস্তার জন্য এখন শ্যামনগর ঘুরে অন্তত ৭ কিলোমিটার বাড়তি পথ পাড়ি দিতে হয়, এতে সময়, খরচ আর ভোগান্তি—সবই বেড়ে গেছে।

 

এক অভিভাবক আক্ষেপ করে বলেন, এতটুকু রাস্তা, তাও বছরের পর বছর কাঁচা পড়ে আছে। বৃষ্টি হলে বাচ্চারা ভিজে যায়, অসুখ হয়, খুব কষ্ট লাগে। এলাকাবাসী সহ শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি—এই এক কিলোমিটার রাস্তা দ্রুত পাকা হোক। শুধু শিশু শিক্ষার্থী নয়, পুরো এলাকার মানুষ স্বস্তি পাক। কারণ এই কাদার ভেতর দিয়ে প্রতিদিন যে শিশুরা হাঁটে—ওদের হাত ধরেই তো আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com