• বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪০
সর্বশেষ :
ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সাথে নির্বাচনী সভা কলারোয়ায় জনসভায় হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সেতু ও শিক্ষা অবকাঠামোর আশ্বাস কেউ ঝগড়া পাঁকাতে আসলে ছেড়ে দেওয়া হবে না: ডাঃ শফিকুর রহমান সাতক্ষীরা-২ আসনে শেষ মুহূর্তে ভোটে এসে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন সাবেক এমপি আশু সাতক্ষীরায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে লাইসেন্স বিহীন ভোজ্য তেলের কারবার: সংবাদ সংগ্রহে হুমকি! না.গঞ্জে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেনের জন্মদিন পালিত বিজয়ী হলে সর্বপ্রথম চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান: সাতক্ষীরার জনসভায় জামায়াত আমীর ডুমুরিয়ায় একটি নক্ষত্রের শিক্ষক আবু সাঈদ আহমদ বিদায় তালায় ধানের শীষের নির্বাচনীয় জনসভা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

মাঠজুড়ে যেন বিছানো রয়েছে হলুদ গালিচা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৩১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
Oplus_131072

দেবহাটায় সরিষার হলুদ ফুলের গন্ধ মাতিয়ে তুলেছে পুরো এলাকা। রঙ আর সুবাসে প্রকৃতি সেজেছে অপরূপ সৌন্দর্যের নান্দনিক রূপে। দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে এবার কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। সরিষা ফুলে ফুলে ভরে গেছে বিভিন্ন উপজেলার মাঠ। সেই সঙ্গে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

 

কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, এ বছর দেবহাটা উপজেলায় ১৮৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। ২২০০ কৃষক কে বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা আর কৃষি বিভাগের প্রণোদনা দেওয়ায় এবার আবাদ বেশি হয়েছে। সেই সঙ্গে পরিমিত পরিচর্যার কারণে ফলনও ভালো আশা করছেন তারা। দেবহাটা উপজেলার কাজীমহল্লা গ্রামের কৃষক আব্দুল মাজেদ বলেন,’এবার সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের সরিষার বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। যে কারণে এবার সরিষার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। তেলের যে দাম কিনে খাওয়ার মতো নেই। এবার সরিষার ফলন হলে সয়াবিন তেলের উপর আমরা আর নির্ভর করব না। আমরা এবার নিজেদের জমির উৎপাদিত সরিষার তেল দিয়েই সারা বছর চলবে।

 

চক মোহাম্মদআলীপুর গ্রামের ভনু ভাই বলেন, এবার ঝড় বৃষ্টি হয়নি। যে কারণে সরিষার কোনো ক্ষতি হয়নি। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ফলন ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।’ একই গ্রামের আলাউদ্দীন বলেন, সামনে কোনো প্রাকৃতি দুর্যোগ না হলে ৩৩ শতকের বিঘায় আমরা ৮-১০ মণ ফলন পাব বলে আশা করছি।’

 

সরিষা আবাদে আমাদের কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে। কোনো সমস্যা হলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিচ্ছি।’

 

এ ব্যাপারে দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান বলেন, ‘ভোজ্য তেলের আমদানি নির্ভরতা কমানো, শস্য নিবিড়তা ও জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ বছর কৃষকদের পর্যাপ্ত সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। ফলন ভালো পেতে আমরা নিয়মিত কৃষক ভাইদের পরামর্শ দিচ্ছি। সেই সঙ্গে সরিষা খেতের পাশে মধু চাষ করাচ্ছি। এতে যেমন সরিষার ফলন বাড়ছে তেমন মধু উৎপাদন হচ্ছে। আমরা এবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সরিষা পাব বলে আশা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com