• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৯
সর্বশেষ :
সাতক্ষীরায় নদীকৃত্য দিবস পালিত দখল-দূষণমুক্ত জীবন্ত নদীর দাবি তালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওর মাধ্যমে ডিসিকে স্মারকলিপ নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট হাডুডু টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাঁচপাড়া দল চ্যাম্পিয়ন সখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণ কেশবপুরে ট্রাকের ধাক্কায় হাবিবের গাড়ি দুমড়েমুচড়ে, প্রাণে বাঁচলেন দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন কাপ ফুটবলের ফাইনালে থানা একাদশের জয় জাতিসত্তার স্বর ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার শুভ জন্মদিবস না.গঞ্জ সদরে উন্নয়ন কাজ যথাসময়ে বাস্তবায়নে এলজিইডির ম্যানেজমেন্ট সভা অনুষ্ঠিত পাটকেলঘাটায় দিনের বেলায় সেনাসদস্যের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট স্বাগতা ক্লিনিকে সিভিল সার্জনের অভিযান: ওটি-প্যাথলজি সিলগালা, ম্যানেজারকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

মহম্মদপুরে শতবর্ষী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত

মাগুরা প্রতিনিধি / ২১৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

খুলনা বিভাগের সর্ববৃহৎ শতবর্ষী গ্রামীণ মেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মেলাকে ঘিরে উৎসব আমেজে মেতে ওঠে এলাকার প্রায় ৫০টি গ্রামের সকল শ্রেনির মানুষ। এ মেলায় মাছ-মাংশ, মিষ্টির দোকানসহ ফার্ণিচার, বাঁশ, বেত ও মৃৎশিল্পিদের তৈরি নানা রকম খেলনা ও প্রসাধনীর স্টল বসেছে প্রায় তিন বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে।

 

 

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামে সোমবার (১২ জানুয়ারি) শতবর্ষী এই মেলা ও গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলের সর্ববৃহৎ এ মেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা প্রতি বছর বাংলা পৌষ মাসের ২৮ তারিখে বসে। মূল মেলার দিনের আগে ও পরে প্রায় পনের দিন ধরে চলে আনন্দ উৎসব। প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে দূরদূরান্ত থেকে আসতে থাকে আত্মীয়-স্বজন।

 

 

১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী মেলার মূল আকর্ষণ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ, যাদু ও কমিডিয়ান শিল্পিদের উপস্থিতি। তবে শিশু-কিশোর, ছেলে-বুড়ো, নারীসহ সব শ্রেনি পেশার মানুষের একটাই উদ্দেশ্য গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করা। তাই দূরদূরান্ত থেকে আসা নানা শ্রেনি পেশার মানুষ মাঠের মধ্যে রাস্তার পাশে এক কাতারে সামিল হয়েছে দুই চোখ ভরে ঐতিহ্যবাহী সেই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করবে বলে।

 

 

প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের জন্য দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ১৫টি ঘোড়া আনা হয়। দুপুর ২টায় ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা শুরুর আগমুহুর্তে ঘোড়ার মালিক, ফকির ও ছোয়ার (জকি) ঘোড়াকে তার পথপরিক্রমা দেখাতে ব্যাস্ত। এরপর শুরু হয় কাঙ্খিত সেই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। শীতের বিকালে মিস্টি রোদে অন্যরকম এক আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে লাখো দর্শক।

 

 

মেলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খাঁন জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চু বলেন, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মেলা দেখতে অশপাশের কয়েক জেলার সকল শ্রেনি পেশার লাখো মানুষের আগমণ ঘটে। সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে মেলা শেষ হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলেদেন অতিথিরা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com